![]()


করো’না ভাই’রাসের সংক্রমন রোধ কল্পে এবারও সিলেটের ঐহিত্যবাহি শাহী ঈদগাহ সহ নগরের সকল ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।রবিবার (১৮ জুলাই ২০২১) বিকেলে নগর ভবনে শাহী ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সাথে এক জরুরী বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর নগর জুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই মন্তব্য করেন ‘মেয়রসব কিছু গায়ের জো’রে করতে চান।’ এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গরম হয়ে উঠে। নানা জন নানা ভাবে মন্তব্য করেন।
একাত্তর টিভির সিলেট প্রতিনিধি ইকবাল মাহমুদ তার স্ট্যাটাসে বলেন,’সারাদেশে ঈদগায় ঈদের জামাত পড়ার অনুমতি থাকলেও সিলেটে কেন নিষিদ্ধ?করো’না ঝুঁ’কি কোথায় বেশি, ম’সজিদে না ঈদগায়?
S K Shahriar লিখেছেন,
‘ম’সজিদে ঝুঁ’কি কয়েকগুণ বেশি।
গরুর হাটে সমস্যা নেই, ঈদগাহে জামাতে সমস্যা। কারা যে কি বুঝে এমন সিদ্ধান্ত নেন কে জানে৷’
Mahbub Hussain লিখেছেন,
ঈদগা ত খোলামেলা যায়গা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যাবে,
তাহলে ইদগাহ নিষিদ্ধ কেন,
Tanbhirul Islam লিখেছেন,
‘২৮ শে জুলাই সিলেট – ৩ আসনের উপ – নির্বাচনে লকডাউনের কোন বিধিনিষেধ থাকবে না। – মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ’
এভাবে অসংখ্য মানুষ তাদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
Obaidullah Bin F Rahman লিখেছেন,
‘সিলেট শাহী ঈদগাহে ঈদের জামাত না করার সিদ্ধান্ত কার ? এর পিছনে কোন যু’ক্তি আছে নাকি শুধুই বাহাদুরি !’
গবেষকদের মতে করো’নার ঝুকি খোলা জায়গায় কম। বন্ধ ঘরে বহু মানুষের সমাগম হলে করো’না সংক্রামনের ঝুকি সবচেয়ে বেশি। সিলেট মহানগরের ছোট বড় সকল ম’সজিদে এসি রয়েছে। আর এই এসির বাতাসের মাধ্যমে করো’না সংক্রামনের যতেষ্ট সম্ভাবনা থাকে।
এই সব দিক বিবেচনা করে তারা ঈদগাহে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ঈদের জামাত করার জন্য সিসিক মেয়রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে পক্ষ থেকে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।