![]()


ফেঞ্চুগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের স্বামীকে লুকিয়ে রেখে অ’পহ’রণ মা’মলা দায়ের করেন এক নারী। এ মা’মলায় ৭ মাস পর অবশেষে পু’লিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তৎপরতায় বেরিয়ে এসেছে মূল র’হস্য।
জানা গেল অ’পহ’রণ মা’মলা’টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আত্মগো’পনে থেকে দিব্যি শ্রমিকের কাজ করছেন। পরিবারে টাকাও পাঠিয়েছেন ওই নারীর স্বামী। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।
গত রোববার আত্মগো’পনে থাকা ব্যক্তিকে চট্টগ্রামের চকবাজার থেকে উ’দ্ধার করেছে পিবিআই। তার নাম জুলমত আলী।
রোববার রাতেই চট্টগ্রাম থেকে তাকে সিলেটে নিয়ে আসা হয়। গত সোমবার দুপুরে তাকে সিলেট আ’দালতে পাঠানো হয়।
জানা যায়, জুলমতকে অ’পহ’রণ করা হয়েছে বলে ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর সিলেট আ’দালতে একটি মা’মলা দায়ের করেন তার স্ত্রী’ লিপি বেগম। তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজে’লার পূর্ব যুধিষ্ঠিপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই গ্রামের রুফই মিয়া, তখই মিয়া ও জিলু মিয়াকে এ মা’মলায় আ’সামি করা হয়। সম্প্রতি মা’মলা’টির বিচার বিভাগীয় ত’দন্ত শেষে অ’পহৃত জুলমতকে উ’দ্ধারের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন সিলেট জুডিশিয়াল আ’দালতের বিচারক। এরপর জুলমতের সন্ধানে নামে সিলেট পিবিআই।
পিবিআই সূত্র জানায়, জুলমত একজন রাজমিস্ত্রী’। সে দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিল। প্রবাস থেকে দেশে ফিরে মাছ ধ’রার ছাই এর ব্যবসা করতো। একসময় সে ব্যবসা করার জন্য এলাকার বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে। ব্যবসায় লোকসান হলে সে চিন্তিত হয়ে যায়৷ এর মধ্যে সে একটি এনজিও সংস্থার কাছ থেকে কিস্তি তুলে৷ যাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছে, তারা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললে সে টাকা দিতে গড়িমসি করে।
এক পর্যায়ে সে সিদ্ধান্ত নেয় বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবে৷ ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে সে চট্টগ্রামে চলে যায়। সেখানে গিয়ে সে রাজমিস্ত্রী’র কাজ করে। এরই মধ্যে তার স্ত্রী’ সিলেট আ’দালতে রুফই, তখই ও জিলু মিয়াকে আ’সামি করে একটি অ’পহ’রণ মা’মলা করেন। সোমবার বিকেলে জুলমতকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সিলেট জে’লা পিবিআইয়ের উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ ফজলে আলম পাটোয়ারী বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জুলমত জানিয়েছেন, তাকে কেউ অ’পহ’রণ করেনি। ঋণ করা টাকা দিতে না পারায় কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি আত্মগো’পনে ছিলেন। প্রতিপক্ষকে ফাঁ’সানোর জন্য তার স্ত্রী’ বাদী হয়ে সিলেট আ’দালতে অ’পহ’রণের মা’মলা করেন। জুলমত চট্টগ্রামে রাজমিস্ত্রী’র কাজ করতেন।