![]()



সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজে’লার নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের কচুয়ার পার গ্রামের ৯ বছর বয়সী শি’শুকন্যা নি’খোঁজ হয়েছিল গত ঈদুল আজহার ৩ দিন আগে। এ বিষয়ে ওই শি’শুর পিতা গোয়াইনঘাট থা’নায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরি ও পরে একটি লিখিত অ’ভিযোগ দায়ের করেন।
প্রায় গত এক বছর পর অবশেষে ওই শি’শুকন্যাটিকে উ’দ্ধার করেছেন গোয়াইনঘাট থা’নাধীন সালুটিকর পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইস’লাম খান।
এবিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজে’লার তোয়াকুল ইউনিয়নের পূর্ব পেকেরখাল গ্রামের বতাই মিয়ার ছে’লে আনোয়ার হোসেনকে অ’ভিযু’ক্ত করে গোয়াইনঘাট থা’নায় লিখিত অ’ভিযোগ দায়ের করেন নি’খোঁজ জনৈক ৯ বছর বয়সী শি’শু কন্যার পিতা।
এছাড়া ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের কচুয়ার গ্রামের হারিয়ে যাওয়া ৯ বছর বয়সী শি’শু কন্যার সন্ধানে গোয়াইনঘাট থা’নায় সাধারণ ডায়েরি করেন শি’শু কন্যার পিতা। অ’ভিযোগ ও জিডির সূত্র ধরে গোয়াইনঘাট থা’নাধীন সালুটিকর পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইস’লাম খান শি’শুকন্যাটির সন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌশল অবলম্বন করেন।
জানা যায়, নি’খোঁজ শি’শুটি এক পর্যায়ে কুমিল্লা জে’লার লাকসাম উপজে’লার লাকসাম গ্রামের হালিমা বেগম নামের এক দেহব্যবসায়ীর হাতে পড়ে। হালিমা সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ অনামিকা ৬২ নম্বর বাসায় ভাড়া থাকেন। হালিমা বেগম তুলে দেন খদ্দের বিয়ানীবাজার উপজে’লার বাড়ইগ্রামের সুরুজ আলী ছে’লে জসিম উদ্দিনের হাতে। জসিম উদ্দিন ওই ৯ বছর বয়সী শি’শু কন্যাকে নিয়ে সিলেট নগরীর শাহ’জালাল উপশহর এলাকার গুলবাহার হোটেলের ৫ম তলার ৫০৫ নাম্বার কক্ষে শি’শু কন্যাকে জো’রপূর্বক একাধিকবার ধ’র্ষণ করে। ওইদিন কৌশলে শি’শুকন্যাটি তার পিতার মোবাইলে ফোন করে। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে গোয়াইনঘাট থা’নাধীন সালুটিকর পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইস’লাম খান সংঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে (৩ জুন) দিবাগত-রাত থেকে সিলেট শহর ও বিয়ানীবাজার উপজে’লায় অ’ভিযান পরিচালনা করে বিয়ানীবাজার থা’না পু’লিশের সহযোগীতায় জসিম উদ্দিনকে আ’ট’ক করেন।
জসিমউদদীনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট শহরের উপশহরস্থ গুলবাহার হোটেলের ম্যানেজার জকিগঞ্জ উপজে’লার দরিয়াপুর গ্রামের মৃ’ত ম’দরিছ আলীর ছে’লে ওয়াজিদ আলীকে আ’ট’ক করেন। জসিম উদ্দিন ও ওয়াজেদ আলীকে আ’ট’কের পর শি’শু কন্যাটিকে না পেয়ে তারা উভ’য়ের সহযোগিতা নিয়ে দেহব্যবসায়ী হালিমা বেগমকে মোবাইলে ওই শি’শু কন্যাকে ৫ হাজার টাকায় চুক্তি করেন। হালিমা বেগম ৫ হাজার টাকার চুক্তি মতো শি’শু কন্যাটিকে নিয়ে হোটেল গুলবাহারে যান। এসময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা পু’লিশ দল হালিমাকে গ্রে’প্তার করে। এবং শি’শু কন্যাকে উ’দ্ধার করে।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থা’নার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ বলেন, গোয়াইনঘাট উপজে’লার নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের কচুয়ার পার গ্রামের ৯ বছরের একটি শি’শু নি’খোঁজ হয়েছিল। শি’শুটির পিতা প্রথমে গোয়াইনঘাট থা’নায় একটি জিডি ও পরে লিখিত অ’ভিযোগ করেন। এরই সূত্র ধরে গোয়াইনঘাট থা’নাধীন সালুটিকর পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইস’লাম খান শি’শুটিকে উ’দ্ধার করেন। জ’ড়িতদের গ্রে’প্তার করেন। বর্তমান এ বিষয়ে থা’নায় মা’মলার প্রস্তুতি চলছে। এবং ভিকটিমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।