সর্বশেষ আপডেট : ১৪ ঘন্টা আগে
শনিবার, ২ মে ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

“জুলাই ২৪-এ জাতি হিসেবে আমাদের পুনর্জন্ম হয়েছে”

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা ::

“জুলাই ২৪-কে গণঅভ্যুত্থানের দিন হিসেবে বিবেচনা করে বলা যায়, এদিন আমরা জাতি হিসেবে পুনর্জন্ম লাভ করেছি”—বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর জাতি এক ফ্যাসিবাদী সরকারের হাতে নিজেদের নাগরিকত্ব সঁপে দিয়েছিল, যারা গুম, খুন, বিচারহীনতা এবং পরাধীনতার সংস্কৃতি চালু করেছিল। তবে ছাত্র-জনতার শক্তি এই অবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করেছে, এই অর্জন যেন ম্লান না হয়।

তিনি বুধবার (২৪ জুলাই) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে লেভেল-১, সেমিস্টার-১ এ ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দলীয় লেজুরবৃত্তির কেন্দ্র থেকে বের হয়ে এসে মুক্ত চিন্তার চর্চা করতে হবে।” তিনি নবীনদের উদ্দ্যেশে বলেন, “তোমাদের ধৈর্য, রুচি, বিবেক এবং মানবিক গুণাবলিই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছে। অংশীজনদের সঙ্গে বসে প্রয়োজনীয় নীতিনির্ধারণের পাশাপাশি পেশিশক্তি রোধ, সহনশীলতা ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দিতে হবে এবং পিছিয়ে পড়া শ্রেণিগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে।

গবেষণার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের মেলে ধরবে। গবেষণায় গ্লোবাল নলেজ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন লাইব্রেরি গড়ে তোলা জরুরি।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সিকৃবি শিক্ষা, গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অগ্রগতি সাধন করছে। সীমিত সম্পদের মাঝেও আমরা সীমাহীন সম্ভাবনা খুঁজে নিচ্ছি।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মোঃ রেজা-উন-নবী। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থীরা যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়ে সংগ্রাম করেছে, তা জাতির জন্য এক গর্বের অধ্যায়। আজকের শিক্ষার্থীদের একইভাবে দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাওছার হোসেন, প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার (অ.দা) প্রফেসর ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: