![]()


স্টাফ রিপোর্টার ::
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় অভিযুক্ত দুই নারী কর্মকর্তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোকনুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জামিন আবেদন করে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেবশ্রী রানী দাস ও তামান্না ফিরোজী। মামলার চার্জশিটে দেবশ্রী রানী দাস ২৭ নম্বর এবং তামান্না ফিরোজী ৪৪ নম্বর আসামি বলে জানিয়েছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) লুৎফুল কিবরিয়া শামীম।
এর আগে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল আদালত মামলার ৫৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত আরও ৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্তে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। ইউজিসির প্রতিবেদনে তৎকালীন উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিধি লঙ্ঘন ও স্বজনপ্রীতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তুলে ধরা হয়। এর ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল দুদকের সিলেট সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মামলা দায়ের করা হয়।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।