![]()

নগরীসহ সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে পৃথক অভিযানে ৩ পলাতক আসামি ও ৩ চোরাকারবারীকে আটক করেছে র্যাব-৯। অভিযানকালে চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বিড়ি ও সিগারেট জব্দ করা হয়। র্যাব জানায়, নগরীর বন্দরবাজার থেকে গত সোমবার দুপুরে র্যাব-৯ এর একটি দল সাজাপ্রাপ্ত ১ পলাতক আসামিকে আটক করে। আটককৃত শিহাব উদ্দিন (৩৮) মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানার আসাব আলীর ছেলে। পরে থাকে বড়লেখা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অপর অভিযানে দক্ষিণ সুরমা থেকে মাদক মামলার পলাতক আরেক আসামিকে আটক করে র্যাব। সোমবার বিকেলে দক্ষিণ সুরমার রেলস্টেশন এলাকা থেকে এসএমপি’র জালালাবাদ থানায় দায়েরকৃত মাদক মামলার পলাতক আসামি সাইফুল (২১)-কে আটক করা হয়। আটককৃত আসামি গোলাপগঞ্জ থানার রায়গড় গ্রামের আলমগীর মিয়ার ছেলে। অপরদিকে, দক্ষিণ সুরমা থেকে আরেক পলাতক আসামিকে আটক করা হয়। সোমবার দুপুরে র্যাবের অন্য একটি দল দক্ষিণ সুরমা থানার ভার্থখলা এলাকা থেকে পলাতক আসামি মো. আবুল কালামকে (৩৫) আটক করে। আবুল কালাম দক্ষিণ সুরমার বরখোলা গ্রামের চান মিয়ার কলোনির আব্দুল হকের ছেলে। আটককৃত দুই আসামিকে দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব-৯।
এছাড়াও কানাইঘাট ও জৈন্তাপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় সাড়ে সাত লক্ষাধিক শলাকা বিড়ি ও সিগারেটসহ ৩ চোরাকারবারিকে আটক করে র্যাব-৯। সোমবার বিকেলে র্যাবের একটি দল কানাইঘাট ও জৈন্তাপুর থানা এলাকায় অবৈধ চোরাকারবারি গ্রেফতারে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কানাইঘাট থানার ও জৈন্তাপুর থানার লামা শ্যামপুর গ্রাম থেকে সাড়ে সাত লক্ষাধিক ভারতীয় পাতার বিড়ি ও সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
এসময় ৩ চোরাকারবারীকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে, কানাইঘাট থানার গর্দনাকান্দি গ্রামের মৃত আরজান আলীর ছেলে মো. নূরুল ইসলাম (৪৫), বাঘাইরপাড়া গ্রামের মো. ছমসুর উদ্দিন (৫৫) ও আকতালুক কান্দি গ্রামের মৃত হরমুজ আলীর ছেলে মো আনিছ (৬০)। উদ্ধারকৃত বিড়ি-সিগারেটসহ আটককৃতদের কানাইঘাট ও জৈন্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।