![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলার আহত ছাত্রলীগ নেতা মারা গেছেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি মারা যান। শনিবার দুপুরে ময়না তদন্ত শেষে পুলিশ পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। পরে বাদ আছর দক্ষিণ সুরমার মেনিখলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাযার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
মারা যাওয়া আবুল হোসেনের (২৫) বাড়ি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্বরপুরে। তার পিতার নাম আউয়াল মিয়া। পরিবারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ সুরমায় মোমিনখলা এলাকার একটি বাসায় থাকেন।
এদিকে গতকাল বিকেলে ছাত্রলীগ নেতা আবুল হোসেন নিহতের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিক তার নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়ারদৌস হাসান।
জানা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ সুরমার বাইপাস এলাকায় ছাত্রলীগের একটি পক্ষের হামলায় অপর পক্ষের আবুল হোসেনসহ মোট ৬জন আহত হন। আহত অপর ৫ জন হলেন জাবের আহমদ, সাজু, রাজু, আবিদ ও আহমদ শাহেদ। এদের মধ্যে আবুল হাসান, জাবের ও সাহেদ আহমদের অবস্থা ছিলো গুরুতর।
জানা যায়, সেদিন আগের একটি ঘটনা সমাধানের জন্য আবুল হাসান, জাবের আহমদসহ অন্যদেরকে বাইপাস এলাকার একটি দোকানে নিয়ে যাওয়া হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হলে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি আবু দ্বারদা জিহাদ তামি ও তার ছোট ভাই জামির নেতৃত্বে ২৫/৩০ জনের একটি গ্রুপ তাদের উপর হামলা চালায়।
দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। হামলার ঘটনায় জড়িতরা মহানগর ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা যায়। এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়।