![]()


সিলেট বিভাগের দুই জে’লায় করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ শনাক্ত কমলেও সার্বিকভাবে শনাক্তের হার এক দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে করো’না শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। এই সময়ে ৯৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৭৩ জনের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়েছে। করো’নায় মা’রা গেছেন আরও ৯ জন।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় স্বাক্ষরিত কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এতথ্য জানানো হয়। শনিবার সিলেট বিভাগে করো’না শনাক্তের হার ছিল ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেদিন মাত্র ১২৭ জনের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়েছিল।
রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জ জে’লায় করো’না শনাক্তের হার ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ ও সুনামগঞ্জে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। এই সময়ে মৌলভীবাজারে শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৫১ শতাংশ ও সিলেট জে’লায় ১৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। সুনামগঞ্জে সম্প্রতি শনাক্তের হারে নিম্নগতি থাকলেও বাকি জে’লাগুলোতে উর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।
এদিন সিলেট জে’লায় সর্বোচ্চ ১১৪ জনের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়েছে। এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন আরও ৪০ জনের করো’না শনাক্ত হয়। তবে সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে ৮ জন করে এবং হবিগঞ্জে মাত্র ৩ জনের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়। এই তিন জে’লায় নমুনা পরীক্ষাও কম হয়েছে।
এদিন সিলেট জে’লায় সর্বোচ্চ ৭ জন করো’নায় মা’রা গেছেন। এছাড়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও মৌলভীবাজারে একজন করে মা’রা গেছেন। সবমিলে বিভাগে এক হাজার ৫২ জন করো’নায় মা’রা গেলেন। গত ২৪ ঘন্টায় মাত্র ১৬৭ জন সুস্থ হয়েছেন এবং হাসপাতা’লে ভর্তি হন ৩৪ জন।
রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ওসমানী হাসপাতা’লের করো’না ইউনিটে ২০৮ জন ভর্তি ছিলেন। এদের মধ্যে ৯ জন আইসিইউতে, ১১৭ জন উপসর্গ নিয়ে ও ৮২ জন করো’না আ’ক্রান্ত চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতা’লে ৩৭০ জন করো’না আ’ক্রান্ত ভর্তি ছিলেন; যাদের মধ্যে নগরীর হাসপাতা’লে ৩০৩ জন ভর্তি আছেন। এখন পর্যন্ত সবমিলে সিলেট বিভাগে ৫২ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়েছে; যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৭২ জন।