![]()



বারবার ভূমিকম্পের কারণে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সিলেটে ১০ দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো ঝুঁ’কিপূর্ণ ৭টি ভবন। নির্ধারিত ১০দিন শেষ হচ্ছে আজ। তবে বন্ধ থাকা ভবনগুলো এখনই খোলা যাবে না বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।
সিলেটের ঝুঁ’কিপূর্ণ ভবনগুলোতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে জ’রিপ শুরু করেছে শাহ’জালাল বিজ্ঞান ও প্রযু’ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বিশেষজ্ঞ দল। জ’রিপ শেষে তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বন্ধ থাকা ভবনগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) কর্মক’র্তারা।
শাবিপ্রবির সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (সিইই) ও পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঝুঁ’কিপূর্ণ ভবনগুলোতে জ’রিপ শুরু করেন। তারা এই ভবনগুলো করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে এসব ভবন কতটুকু ঝুঁ’কিপূর্ণ- এ নিয়ে সিসিককে পরাম’র্শ দেবেন। তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মা’র্কেট খোলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সিসিক।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা বৃহস্পতিবার সকালে ও বিকেলে ঝুঁ’কিপূর্ণ কয়েকটি মা’র্কেট পরিদর্শন করেন। তাদের দেয়া প্রতিবেদন পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেবে সিসিক। শাবির বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শনের পর তাদের নির্দেশনা পেলে খুলে দেয়া হবে ঝূঁকিপূর্ণ হিসেবে বন্ধ থাকা মা’র্কেট বা ভবন।
জানা যায়, গত ২৯ মে কয়েকদফা ভূমিকম্প পরবর্তী সম্ভাব্য ঝুঁ’কি এড়াতে নগরের ৬ টি মা’র্কেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গত সোমবার (৩১ মে) সকাল থেকে বুধবার ( ৯ জুন) পর্যন্ত এ সকল মা’র্কেট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মা’র্কেটগুলো হলো- সিলেট নগরীর মিতালি ম্যানশন, সিটি সুপার মা’র্কেট, মধুবন সুপার মা’র্কেট, রাজা ম্যানশন, সমবায় ভবন ও সুরমা মা’র্কেট। এই ৬টি ভবন (মা’র্কেট) আগে থেকেই ঝুঁ’কিপূর্ণ ভবনের তালিকায় ছিল বলে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। এছাড়া অ’তিঝুঁ’কিতে থাকা জিন্দাবাজারের একটি দোকান স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নগরীর পনিটুলা এলাকায় সামান্য হেলে থাকা ভবনের বাসিন্দাদেরও ১০ দিনের জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।