![]()


দিরাই (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা :
বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬। শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃদুগ্ধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্তন্যদানকে উৎসাহিত করতে বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশে ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সপ্তাহটি উদযাপন করা হচ্ছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া গ্রামে সীমান্তিক (এসএমসি কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রাম) এনজিওর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের মায়েদের অংশগ্রহণে এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সীমান্তিক দিরাই উপজেলা সুপারভাইজার শামসুর রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডা. নিশাত তাসনিম।
তিনি বলেন, “শিশুর জীবন রক্ষা, সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। মায়ের দুধ শিশুর প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, বিভিন্ন সংক্রমণ ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগ থেকে সুরক্ষা দেয় এবং মা-শিশুর মধ্যে গভীর বন্ধন গড়ে তোলে।”
তিনি আরও বলেন, জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত। এরপর বয়স উপযোগী পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি দুই বছর বা তারও বেশি সময় পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান করানো প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় মাতৃদুগ্ধ পান করানোর উপকারিতা, শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর ভূমিকা এবং পুষ্টি বিষয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারী মায়েদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
অনুষ্ঠানে সীমান্তিকের এমএমএস প্যারামেডিক, কমিউনিটি মোবিলাইজার, গোল্ড স্টার মেম্বার, গর্ভবতী নারী, নবজাতকের মা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।