![]()


কোম্পানীগঞ্জ সংবাদদাতা ::
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও ভারতীয় মদসহ নয়জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৬ আগস্ট) গভীর রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ভোলাগঞ্জ ক্লাস্টার ভিলেজে পাথর ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও মদ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, ভাঙা পাথর বোঝাই একটি স্টিলের বাল্কহেডসহ আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।
অস্ত্রসহ আটকরা হলেন—সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভোলাগঞ্জ আদর্শ গ্রামের মৃত আলোর আলীর ছেলে কুতুব উদ্দিন ওরফে পাগলা শাহ (৫৪), ভোলাগঞ্জ উত্তরপাড়ার মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে আব্দুল ওয়াহিদ (৫৫), তার ছেলে জাহিদ আহমদ (২২), একই এলাকার আব্দুল ওয়াজেদের ছেলে রুহেল আহমদ (২৬) এবং তাঁদের এক সহযোগী।
অন্যদিকে, পাথর বোঝাই বাল্কহেডসহ আটকরা হলেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. সাব্বির রহমান, মো. সুমন মিয়া, মো. বাসেদ মিয়া, মো. শাহিন আহমেদ ও মো. রাফি আহমেদ। তারা বাল্কহেড পরিচালনার কাজে যুক্ত ছিলেন।
যৌথবাহিনীর অভিযানে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—একটি এয়ার রাইফেল, দুটি রামদা, দুটি বড় ব্লেডের দা, দুটি বল্লম, তিনটি ছুরি, একটি ভারতীয় মদের বোতল এবং চারটি মোবাইল ফোন।
অভিযান পরিচালনা করেন জেলা স্টেডিয়াম আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার। সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত এ যৌথ টহল দল ভোলাগঞ্জ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সন্দেহ হলে কুতুব উদ্দিন ও জুয়েল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
পরে আটক ব্যক্তিদের ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র-মাদক রোববার (১৭ আগস্ট) সকালে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “অস্ত্র ও মদসহ চারজনকে এবং বাল্কহেডসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।”