![]()



সিলেটে দুই শি’শুসহ মাকে গলাকে’টে ও কু’পিয়ে হ’ত্যার ঘটনায় পু’লিশ দুটি বিষয়কে সামনে রেখে ত’দন্ত করছে। বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সিলেটের এসপি ফরিদ উদ্দিন আহম’দ গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আম’রা ধারণা করছি পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং মামা’র বাড়ির সঙ্গে ঝামেলার কারণে এই হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটতে পারে। কারণ হিফজুর রহমান দীর্ঘদিন থেকেই মামা’র বাড়িতে থাকছেন। এটি হয়তো মামা’র বাড়ির লোকজন ভালো’ভাবে নেননি। সেজন্য হ’ত্যাকা’ণ্ডটি ঘটতে পারে। এছাড়া হিফজুর রহমানের পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণেও এটি হতে পারে। আম’রা মূলত এসব বিষয় সামনে রেখেই প্রাথমিক ত’দন্ত করছি।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার আগে এবং পরে এই ঘরে কাউকে প্রবেশ করতে দেখেননি কেউ। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আম’রা যে বটি দা উ’দ্ধার করেছি তা কুমড়া পাতা দিয়ে মোড়ানো ছিল। সেজন্য হিফজুর রহমানকেও স’ন্দেহের তালিকায় রাখা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার সকালে গোয়াইনঘাট উপজে’লার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি গ্রামে দুই শি’শুসহ মায়ের ম’রদেহ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। নি’হতরা হলেন- বিন্নাকান্দি গ্রামের হিফজুর রহমানের স্ত্রী’ আলিমা বেগম, তার ছে’লে মিজান ও মে’য়ে তানিশা। এছাড়া গুরুতর আ’হত হয়েছেন আলিমা বেগমের স্বামী হিফজুর রহমান। তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পু’লিশ জানায়, বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে প্রতিবেশীরা হিফজুরের ঘরের সামনে যান। ভেতর থেকে শব্দ শুনে তারা দরজায় ধাক্কা দেন। এসময় ঘরের দরজা খোলা ছিল। ভেতরে প্রবেশ করে খাটের মধ্যে তিন জনের জবাই করা ও কুপানো ম’রদেহ ও হিফজুরকে র’ক্তাক্ত দেখে পু’লিশে খবর দেন। খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থা’নার এসআই মহসিনের নেতৃত্বে একদল পু’লিশ গিয়ে লা’শ তিনটি উ’দ্ধার করেন এবং হিফজুরকে হাসপাতা’লে পাঠান। হিফজুরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে দায়ের কোপ ছিল।