![]()


খলিলুর রহমান, বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বড়লেখা উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে বড়লেখা সদর ইউনিয়নের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক প্রতিনিধি অংশ নেন।
কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে বর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কায়েদে আজমকে সভাপতি, বিহাইডর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক এবং দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সাবলু মিয়াকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন:
সিনিয়র সহসভাপতি: নিধু ভূষণ নাথ (উত্তর নিজবাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), শশাঙ্ক শেখর দাস (হাকালুকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)
সহসভাপতি: আতাউর রহমান শামীম (দক্ষিণ ভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), খোদেজা বেগম (কেছরিগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)
সহসম্পাদক: দেলোয়ার হোসেন (মুড়াউল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)
অর্থ সম্পাদক: রুপক চন্দ্র দাস (গলগজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)
কাউন্সিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন এবং অধ্যাপক মো. আব্দুল মোহাইমিন।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ও মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি মঞ্জু লাল দে। বিশেষ বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-কাব বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফয়ছল আল-কয়েছ চৌধুরী।
কাউন্সিলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠনের বৈধতা নিয়ে আলোচনা ওঠে। এ বিষয়ে মঞ্জু লাল দে বলেন, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সদস্য হওয়া আইনগতভাবে অবৈধ। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই সমিতিকে Fake and Forged ঘোষণা করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “সমিতিসমূহের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারী ও প্রধান শিক্ষক নির্বিশেষে সবাইকে ‘বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি’ (রেজি নং এস-১৫৩৬ (৯৬)/৯৩)-র সদস্য হয়ে শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষক কল্যাণে কাজ করা উচিত।”
দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিল সফলভাবে সম্পন্ন হয় এবং শিক্ষকদের ঐক্য ও পেশাগত অধিকার রক্ষায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।