![]()


বড়লেখা প্রতিনিধি:
বড়লেখায় জনসাধারণের চলাচলের সরকারি রাস্তার একাংশ দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী দুই সহোদরের বিরুদ্ধে। দখলপ্রক্রিয়া ঠেকাতে প্রতিবেশীদের নিয়ে বাঁধা দিলে অভিযোগকারীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আহমেদ জামিল গত ১৬ মার্চ বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সমছ উদ্দিন ও মইজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা (মামলা নম্বর: সি.আর-১৫১/২৫) দায়ের করেন। আদালত মামলার তদন্তের জন্য থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। ইতোমধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রউপ শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মামলার অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর দক্ষিণ জামে মসজিদ থেকে আহমেদ জামিল মিয়ার বাড়ির সামনের কালভার্ট পর্যন্ত সরকারি অর্থায়নে পাঁচ বছর আগে রাস্তা ইটসলিং করা হয়। বর্তমানে কালভার্টের সামনের অংশে ইটসলিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। তবে গ্রামের মৃত আলা উদ্দিনের ছেলে সমছ উদ্দিন ও মইজ উদ্দিন সরকারি রাস্তার প্রায় ১৫ ফুট জায়গা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত দাবি করে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালান।
অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা রাস্তায় বাঁশ ও গাছ ফেলে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। গত ১০ মার্চ সকালে প্রতিবেশী আহমেদ জামিল, জাহাঙ্গীর আলম, আবু বক্করসহ কয়েকজন এই প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে নিতে বললে সমছ উদ্দিন ও মইজ উদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হত্যার হুমকি দেন। স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন অংশ দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে রাস্তার মারাত্মক ক্ষতিসাধন করেছেন।
এ বিষয়ে মামলার বিবাদী সমছ উদ্দিন ও মইজ উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার জানান, “আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক মামলাটি তদন্তের জন্য এসআই আব্দুর রউপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।”