![]()


স্টাফ রিপোর্টার ::
২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন সিলেট জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা জানান, গত ১৭ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক পরিপত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার বাইরে রাখার বিষয়টি জানা গেছে। তারা পরিপত্রটিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে বলেন, কেবল বিদ্যালয়ের স্বীকৃতির ধরণ ভিন্ন হওয়ায় বিপুল সংখ্যক কোমলমতি শিশুকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখা জাতীয় শিক্ষানীতির পরিপন্থী এবং অগ্রহণযোগ্য।
সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মুহিব উল্লাহ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং ২০২২ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। বৃত্তি কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, বরং শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস, সামাজিক স্বীকৃতি ও শিক্ষাজীবনে অগ্রগতির প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার ফলে যে মানসিক চাপ তৈরি হবে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।
নেতৃবৃন্দ ১৭ জুলাইয়ের পরিপত্র বাতিল করে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাসহ প্রাথমিক শিক্ষার সব কার্যক্রমে কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমঅধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়িত না হলে আগামী ২০ আগস্টের পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় ঘেরাও এবং ‘মার্চ ফর ঢাকা’ কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বলেও জানান নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহবায়ক মো. সহিদুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মো. ইসরাফিল, সদস্য মো. বদরুল আলম, মো. কপিল উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম, হাফিজ সুলতান, মো. দুদু মিয়া, এম. এ সালাম, শাহজালাল, এস এম আল আমিন, শাহানুর রহমান চৌধুরী, শাহ্ মো. শামছুল ইসলাম, মো. নূরুল ইসলাম (সবুজ), মো. লোকমান আহমদ, পংকজ কুমার দাস, আর্জিত চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম, রুহুল আমিন, মো. মিফতাহুল আলম, পিংকু চক্রবর্তী, জাকিয়া আক্তার, সৈয়দ নাসির উদ্দিন, অমিতাভ গোস্বামী নিলয়, তাপস কান্তি তালুকদার, মো. শাহনাজুল ইসলাম শিকদার, শাহাব উদ্দিন শিহাব, মো. একরাম হোসেন প্রমুখ।