![]()


বড়লেখা প্রতিনিধি :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির গুরুত্ব ও প্রয়োগ শীর্ষক এক সেমিনার মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শতাধিক শিক্ষকরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ, মাদরাসা প্রধানদের সহযোগীতায় এবং সফট্ওয়্যার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এমএসথ্রি টেকনোলজি বিডি প্রা. লি.-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ইটাউরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনাম উদ্দিন সভাপতিত্বে এবং পাকশাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন এমএসথ্রি টেকনোলজি বিডি লি.-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. ইয়াহইয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পরিচালক ডা: রত্নদ্বীপ দাস, পিসি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসলাম উদ্দিন, বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অধীর চন্দ্র বিশ্বাস, রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষক ইকবাল আহমদ, মুড়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রশিদ আহমদ খান, বড়লেখা জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. নিজাম উদ্দিন, শিশু শিক্ষা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরান আহমদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজেশন এখন সময়ের দাবী। বিশ্ব যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে আমরা সেখানে পিছিয়ে থাকতে পারি না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বর্ণমালা ব্যবহারের মধ্য দিয়ে বড়লেখায় শতভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল হয়েছে দাবী করে বক্তারা বলেন, আমাদের উপজেলাকে মডেল ধরে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজড হবে এবং গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে দেশ ধীরে ধীরে স্বনির্ভর ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নে ডিজিটালাইলেশনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে বক্তারা আরো বালেন, প্রযুক্তির ব্যবহারে কাজের গতি বাড়ে ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা হয় সুশৃঙ্খল, নিভুল ও গতিময়।
বর্ণমালা অটোমেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, শিক্ষার্থীর ভর্তি, আর্থিক ব্যবস্থপনাসহ সকল ধরনের কাজ অত্যন্ত নিখুত ও নির্ভুলভাবে করা যায় বলে সেমিনারে উল্লেখ করেন সফটওয়ার সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও প্রায় চার শতাধিক প্রতিষ্ঠানে বর্ণমালা সফটওয়্যারটি একটিভ রয়েছে বলেও দাবী করা হয়।