![]()


দীর্ঘ সময় অ’পেক্ষার পর অবশেষে সিলেট নগরে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকিসনের ২য় ডোডের জন্য অ’পেক্ষমাণ গ্রহীতাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকাল নগর ভবনের নীচ তলায় স্থাপিত অস্থায়ী টিকা কেন্দ্রে শুরু হয় এই টিকাদান কার্যক্রম।
প্রথম’দিন নগর ভবনে করো’নার টিকা নিতে আসা গ্রহীতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে উপচে পড়া এ ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন টিকাদানে দায়িত্বরত স্বেচ্ছাসেবী ও সংশ্লিষ্টরা। তবে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন হলেও মানবিক দিক বিবেচনায় কাউকেই টিকা না দিয়ে ফেরত দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সকালে সরেজমিনে নগর ভবনের টিকা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের নিচতলার টিকাদানকেন্দ্রে টিকা দিতে যান নগরীর প্রায় সহস্রাধিক অধিবাসী। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, ‘টিকা নিতে আসার মেসেজ পাওয়ার পর টিকা নিতে গিয়ে দেখি মেসেজ ছাড়াও অসংখ্য মানুষ লাইনে দাড়িয়ে আছেন। আর এতে স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে লম্বা লাইনে ঘন্টাখানেকের বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, ভিড় সামলে ধাক্কাও খেতে হচ্ছে। সবমিলিয়ে খুবই উদ্বেগজনক অবস্থা।’
সিলেট সিটি করপোরেশনের দুটি কেন্দ্র ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট পু’লিশ লাইন্স হাসপাতাল কেন্দ্রে গত ৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে শুরু হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ডের গণটিকাদান কার্যক্রম। পরে টিকা স্বল্পতার কারণে বন্ধ হয়ে যায় টিকাদান কার্যক্রম। সে সময় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকার ২য় ডোজের জন্য অ’পেক্ষমাণ তালিকায় থেকে যান সিলেট নগরের প্রায় ১৪ হাজার টিকা প্রত্যাশী।
তাদের টিকা নিশ্চিত করতে আজ মঙ্গলবার সকালে ফের শুরু হয় ২য় ডোডের টিকাদান কার্যক্রম। যে সমস্ত টিকাগ্রহণকারীগণ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা ২য় ডোজ টিকা নেননি বা টিকা নেয়ার জন্য মোবাইলে বার্তা পেয়েছিলেন তাদেরকে টিকার জন্য কেন্দ্রে আসতে বলা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে অনেকে মোবাইলে বার্তা না পেয়েও সকাল নগর ভবনের নীচ তলায় স্থাপিত অস্থায়ী টিকা কেন্দ্রে সকাল থেকে ভিড় করতে থাকেন।
এ ব্যাপারে কথা বলতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ডা. জাহিদুল ইস’লামকে ফোন দিলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।