![]()



টানা ২ মাস ৯ দিন বন্ধ থাকার পর শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ জুলাই মঙ্গলবার থেকে সিলেটের বৃহৎ তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের আম’দানি শুরু হয়েছে, পুনরায় আম’দানি চালু হওয়ায় তামাবিল স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে বইছে সস্থির নিঃশ্বা’স। শুরুর প্রথম দিনে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভা’রত থেকে তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ৫টি পাথর বুঝাই ট্রাক ও ১টি আদা বুঝাই ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বুধবার থেকে পুরোদমে আম’দানি কার্যক্রম শুরু হবে বলে তামাবিল কাস্টমস সূত্রে জানাযায়।
তামাবিল কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, দেশে চলমান করো’না পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তামাবিল স্থল বন্দরের কার্যক্রম সচল থাকলেও ভা’রতে করো’নার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় গত এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে মেঘালয় জুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। ফলে এর পর থেকে ডাউকি স্থলবন্দরের পাশাপাশি সকল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আম’দানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ভা’রত সরকার। যার কারণে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ভা’রতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর দিয়ে চুনাপাথর,পাথর, কয়লা ও কাঁচামাল পণ্য তামাবিল স্থলবন্দরে প্রবেশ করেনি।
স¤প্রতি মেঘালয়ে করো’না পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ফলে বিগত কয়েকদিন ধরে স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী সংগঠন ও ভা’রতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মাঝে আলোচনার ভিত্তিতে করো’না ভাই’রাস সংক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই স্থলবন্দরটি চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা জানান।
এ বিষয়ে তামাবিল চুনাপাথর, পাথর ও কয়লা আম’দানিকারক গ্রæপের সভাপতি লিয়াকত আলী জানান, করো’নার কারণে গত মে মাসের শুরু থেকেই ডাউকি স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ভা’রত সরকার। র্দীঘদিন ধরে আম’দানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার ফলে তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভা’রত থেকে পণ্য সামগ্রী আম’দানিকারকরা দিশেহারা হয়ে পড়েন। এতে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ভাবে ক্ষয়-ক্ষতির সম্মূখীন হয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি স্থলবন্দেরের সাথে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ও কর্মচারীরা কর্ম হারিয়ে হতাশায় ভোগছিলেন কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মচারী। এই বন্দর দিয়ে পুণরায় আম’দানি চালু হওয়ায় এলাকার দিন মজুরসহ ব্যবসায়ীরাও স্বস্থির নিঃশ্বা’স ফেলছেন।
এ ব্যাপারে তামাবিল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক মাহফুজুল ইস’লাম ভ‚ঁইয়া বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। তবে যতটুকু জানি, শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের স্থলবন্দরের কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ থেকে এই বন্দর দিয়ে আবারও আম’দানি শুরু হয়েছে। করো’না ভাই’রাস সংক্রমণ রোধে সতর্কতা হিসেবে প্রশাসনের উদ্যোগে এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের সহযোগিতায় পণ্য নিয়ে আসা ভা’রতীয় প্রত্যেকটি পরিবহণকে জীবানু নাশন স্প্রে দিয়ে জীবানু দুর করে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হচ্ছে এবং গাড়ী চালকদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে তাদেরকে আবার ভা’রতে ফেরত যেতে হচ্ছে।