সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় গৃহবধূ মুন্নির আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা: ননদ চামেলী ঢাকায় গ্রেপ্তার

বড়লেখা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তাঁর ননদ চামেলীকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বড়লেখা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বলে জানা গেছে।

মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর মা মোছা. রেনু বেগম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় মামলা করেন। মামলায় মুন্নির স্বামী, শাশুড়ি, ননদ, ভাসুর ও জাসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে বড়লেখার মুড়িরগুল এলাকার মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে লাভলু আহমদের সঙ্গে মুন্নির বিয়ে হয়। তাঁদের আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। লাভলু বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মুন্নির কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্যও তাঁকে চাপ দেওয়া হতো।

মুন্নির পরিবারের অভিযোগ, টাকা দিতে না পারায় তাঁকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মামলার এজাহারে নির্যাতনের অডিও-ভিডিও থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও মানসিক চাপের কারণে মুন্নি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন।

এর আগে গত ২১ আগস্ট মুড়িরগুল এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে মুন্নির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় তাঁর বাবা মকবুল আলী প্রথমে বড়লেখা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মা বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ থাকার কথা বলা হয়েছে।

মুন্নির মৃত্যুর পর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ৪ সেপ্টেম্বর বড়লেখা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধনও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মামলা দায়েরের পর বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানিয়েছিলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

চামেলীর গ্রেপ্তারের বিষয়ে বড়লেখা থানার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, তাঁর পূর্ণ পরিচয়, গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট সময় এবং তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে কি না—এসব তথ্য পাওয়া গেলে সংবাদটি আরও পূর্ণাঙ্গ ও শক্তভাবে আপডেট করা যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: