![]()


ব্যতিক্রমী দুই ভাই ইউসুফ মোল্লা ও আলী হোসেন। দু’জনের শারীরিক উচ্চতা ৪৫ ইঞ্চি, বড় ভাই ইউসুফ মোল্লার বয়স ৪১ বছর এবং আলী হোসেন ২৭ বছর।
পরিবারের অন্য সদস্যরা স্বাভাবিক উচ্চতার হওয়ায় দুই ভাইকে শুনতে হয়েছে নানা কটূক্তি। তবুও তারা থেমে যাননি। সহযোগিতা চেয়ে হাত পাতেননি কারো কাছে। বরিশালে এখন চা বিক্রি করেই চলে তাদের সংসার।
পাঁচ ভাইবোনের বড় ইউসুফ মোল্লা আর সবার ছোট আলী হোসেন। রাজধানীতে ফার্নিচারের দোকানে কাজ করে ছোটখাটো ব্যবসা চালু করেন দু্’জন। কিন্তু করো’নাকালে সব শেষ। তাই ঢাকা ছেড়ে পাড়ি জমান বরিশালে। একটি চায়ের দোকানই এখন তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল।
ফার্নিচারের দোকানে কাজের অ’ভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে ইউসুফ জানান, সেখানে সবার বেতন বাড়ালেও আমা’র বেতন বাড়াতো না। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে একটা ছোটখাট ব্যবসা শুরু করি।
তবে করো’নার কারণে সেটি ধ’রা খেয়ে যায়। শত বাধা পেরিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছিলেন আলী হোসেন। চা-পান বিক্রি করলেও স্বপ্ন দেখেন সরকারি চাকরির। নিজের যোগ্যতা অনুসারে সরকারের কাছে প্রত্যাশা একটা চাকরির।
জীবনযু’দ্ধে হেরে না গিয়ে সম্মানের পেশা বেছে নেয়ায় স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই দুই সহোদর। ইউসুফ মোল্লা দুই মে’য়ের বাবা। আলী হোসেনের পরিবারে আছে স্ত্রী’ ও তিন সন্তান।