![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
বরিশালের মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত রুবেল শাহ (৪০) টুমচর গ্রামের মৃত সেকান্দার শাহর ছেলে। বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
বাটামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন অশ্রু বলেন, সকালে বাজার থেকে বাড়িতে আসে রুবেল। এরপর বাড়ির সামনে বের হওয়ার পর তাকে কুপিয়ে ফেলে রাখে হামলাকারীরা। রুবেলের চিৎকারে গ্রামবাসী আসার পূর্বেই হামলাকারীরা ওই স্থান ত্যাগ করে। দ্রুত উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে রুবেলকে। নিহত রুবেল দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির বাহিরে ছিল। সেও ৫ থেকে ৮টি মামলার আসামি। নির্বাচনকে সামনে রেখে সে বাড়িতে আসলে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া বলেন, টুমচর গ্রামে আকন ও হাজী গ্রুপের দ্বন্দ্বে রুবেল হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। লাশ কালকিনি হাসপাতালে রয়েছে। সেখান থেকে মাদারীপুর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। এ ঘটনায় মুলাদী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ওসি আরও বলেন, আকন ও হাজী গ্রুপের দ্বন্দ্ব নিরসনে গত বছর ২২ জুলাই জাগরনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তিন জেলার পুলিশের সমন্বয়ে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় উভয় গ্রুপের নেতৃত্বদানকারীরা সাধারণ গ্রামবাসীর সামনে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে সমঝোতা চুক্তি করেন। কিন্তু চুক্তি ভেঙে আবারও এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হলো।
এ হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বলে জানান ওসি।