![]()


সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে দেশ, জাতি ও ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াত ও ১০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। নব্য ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং প্রতীক দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে সিলেট জেলা ও মহানগর ১০ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগরীর ধোপাদিঘীরপারস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন মহানগর নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল।
মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। ১০ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় করে মাঠপর্যায়ে প্রচারণা চালানো হবে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে নির্বাচন চলাকালে কোনো ধরনের পেশিশক্তির প্রদর্শন মেনে নেওয়া হবে না। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জোটের সব নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে সিলেটের ছয়টি আসনেই ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও জোট প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিতে সিলেটবাসী ঐক্যবদ্ধ।
সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য ও সিলেট-১ আসন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা এমরান আলম ও মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিলেট মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল ও জেলা আহ্বায়ক মো. জুনেদ আহমদ, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, বিডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ, এবি পার্টি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মো. ওমর ফারুক, নেজামে ইসলাম পার্টির মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জুবায়ের আহমদ খান এবং এলডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন লিটন।
সভায় সিলেট-১ আসনে নির্বাচন পরিচালনায় করণীয়, মাঠপর্যায়ের পরিকল্পনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। ১০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।-বিজ্ঞপ্তি