![]()


স্টাফ রিপোর্টার ::
সিলেট সদর উপজেলার সালুটিকর ভাটা এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাটিচাপা অবস্থায় অন্তত ১১ হাজার ঘনফুটেরও বেশি পাথর জব্দ করা হয়েছে। এসময় পাথর লুটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (১৭ আগস্ট) সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আরডিসি আশিক মাহমুদ কবিরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানের এক পর্যায়ে ধোপাগুল সংলগ্ন সালুটিকর ভাটা এলাকার একটি ক্রাশার মিলের আঙিনায় মাটিচাপা অবস্থায় এসব পাথরের সন্ধান পান তারা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জব্দকৃত পাথরের পরিমাণ আনুমানিক ১১ হাজার ঘনফুট হতে পারে। পাশাপাশি তারা জানিয়েছেন, লুট হওয়া পাথর উদ্ধারে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগের দিন শনিবার ধোপাগুল এলাকায় বসতবাড়ি ও ক্রাশার মিলে অভিযান চালিয়ে আড়াই লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়। একইদিন গোয়াইনঘাটের ফতেপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি এলাকা থেকেও প্রায় আড়াই হাজার ঘনফুট সাদা পাথর জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাথর লুটের ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর গত ১৩ আগস্ট থেকে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নেয়। চার দিনে প্রায় চার লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর কোম্পানীগঞ্জ থানায় প্রায় দুই হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে, লুট হওয়া পাথর উদ্ধারে কঠোর ব্যবস্থা নিতে গিয়ে হাইকোর্টও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে সাত দিনের মধ্যে পাথর উদ্ধার করে যথাস্থানে প্রতিস্থাপন করতে। আদালত লুটে জড়িতদের তালিকা জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
সর্বশেষ সালুটিকর ভাটা এলাকায় মাটিচাপা অবস্থায় পাওয়া বিপুল পরিমাণ পাথর জব্দের ঘটনায় স্থানীয়রা আশা করছেন, এবার প্রকৃত চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।