![]()


প্রবাস ডেস্ক ::
লন্ডনের পশ্চিমাঞ্চলের দি ডরচেষ্টার হোটেলের পার্ক রুমে অনুষ্ঠিত এক ‘মিট অ্যান্ড গ্রীট’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বৃটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের নানা সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন নেতৃবৃন্দ।
লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানান হাই কমিশনার আবিদা ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রিন্সিপাল অফিসার লামিয়া মোর্শেদ।
কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ সাক্ষাৎকালে ড. ইউনূসকে কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিতে অভিনন্দন জানান। পরে তারা প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল: ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর, বিদেশি ফ্লাইট চালু, ‘নো ভিসা ফি’ কমানো বা বাতিল, প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, হাই কমিশনের মাধ্যমে এনআইডি কার্ড প্রদান, বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ, সম্পত্তি সুরক্ষা, কনস্যুলার সেবার মানোন্নয়ন, পেনশন স্কিম চালু, এবং দেশে নির্বাচন সংস্কার ও প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা।
ড. ইউনূস ধৈর্যের সঙ্গে প্রবাসীদের কথা শোনেন এবং এসব দাবি বাস্তবায়নে যথাসাধ্য উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিবিসিইর সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক শাহগীর বখত ফারুক, চ্যানেল এস টিভির চেয়ারম্যান আহমেদুস সামাদ চৌধুরী জেপি, এসপায়ার পার্টির চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্যাটারারস এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ওলি খান এমবিই, বিবিসিই প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার, অল ইউরোপীয়ান বাংলাদেশী এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শাহনূর খান, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মুহাম্মদ জুবায়ের, আইওএন টিভির সিইও সাংবাদিক আতাউল্লাহ ফারুক, সিনিয়র রিপোর্টার মোশতাক বাবুল, ব্যারিস্টার লুৎফুর রহমান, সাবেক সিভিক মেয়র শফিকুল হক, সেলিব্রেটি শেফ টমি মিয়া এমবিই, প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল বারী, সাবেক এমপি পদপ্রার্থী ড. জাকির খান, ব্যবসায়ী ও ক্রিকেটার পাভেল চৌধুরীসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া ও বাস্তবায়ন হলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।