![]()


স্টাফ রিপোর্টার ::
সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার অন্তর্গত ছড়াগাং চা বাগান এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামিরা আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। এসএমপি এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম’র পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, বিশ্বনাথ উপজেলার এক নারী (৩০) তিনদিন আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে সিলেট শহরে আসেন। প্রথমে শাহজালাল (রহ.) মাজার এবং পরে শাহপরাণ (রহ.) মাজারে অবস্থান করেন। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকলেও শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন।
গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই নারীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে লেগুনা চালক ও তার সহযোগী লেগুনা (সিলেট ছ ১১-১২৭০) করে এয়ারপোর্ট থানাধীন ছড়াগাং চা বাগানের ১নং সেকশনস্থ তেমুখী রাস্তার পাশে এক টিলার ওপর নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
স্থানীয় ইউপি মেম্বারের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। পরে লেগুনার নম্বরের সূত্র ধরে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ও শাহপরাণ (রহ.) তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, সিলেটের শাহপরাণ থানার পীরেরবাজারের উত্তর মোকামেরগুল গ্রামের মৃত হাশেম মিয়া ও মায়া বেগম’র পুত্র মোঃ আব্দুল করিম (২৯) এবং একই থানার ধলইপাড়া গ্রামের আনোয়ার মিয়ার পুত্র রাকিব মিয়া (২৫)
ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ৭/৯(৩) ধারায় মামলা (নং-১০, তারিখ: ১২ মার্চ ২০২৫) দায়ের করেন। পরে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।