![]()


তারেক হাসান, কুলাউড়া:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দক্ষিঞ্চালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ২৫ বছর পূর্তিতে রজত জয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান কলেজ মিলনায়তনে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের পরিবর্তন আসবে চলতি বছরে। চালু করা হবে ট্রেড কোর্স। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার কোয়ালিটি নিয়ে প্রশ্ন আছে। আমরা সেই শিক্ষার কোয়ালিটি উন্নত করার চেষ্টা করছি। বাংলদেশের আড়াই হাজার কলেজে গভর্নিং বডি নিয়ে যে ধরণের রাজনীতি তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। সবাই সভাপতি হতে চায় কারণটা কি? আমরা গভর্নিং বডি কলেজগুলোতে রাখবো কি না সেই চিন্তাও করছি। কলেজে শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি, রাজনীতি ঢুকে পরিস্থিতি একদম নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। তবে সিলেট অঞ্চলে এসব একটু কম দেখলাম দলাদলি। শিক্ষকদের একটাই অনুরোধ রাজনীতি করতে চাইলে ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে করেন।
রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. আশরাফুল মুনিম। গেস্ট আব অনার ছিলেন মৌলভীবাজরের জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন। লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাছ খানের সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলামের পরিচালনায় সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জিনবিজ্ঞনী ও ধান গবেষক ড. আবেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সায়েম উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মেহনাজ ফেরদৌস, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার জামিল আহমদ চৌধুরী। রজতজয়ন্তীর বক্তব্য দেন কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খন্দকার মো. আব্দুল ওয়াহিদ সারোয়ার, প্রতিষ্ঠাকালের অধ্যক্ষ এএনএম ইউছুফের সন্তান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এডভোকেট আবেদ রাজা, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতাউর রহমান।
মানপত্র পাঠ করেন অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ছাত্র সাংবাদিক সেলিম আহমদ, জাহিদ হাসান সামাদ, এডভোকেট আহমদুর রহমান।
জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এ সময় ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । অনুষ্ঠানকে সফল করার লক্ষ্যে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং গত ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেলে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।