![]()


ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী ‘এমভি অ’ভিযান-১০’ নামক যাত্রীবাহী লঞ্চের ইঞ্জিন থেকে ভ’য়াবহ অ’গ্নিকা’ণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩০ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। মৃ’তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। শতাধিকের বেশি যাত্রী আ’হত হয়েছে। জে’লা প্রশাসক জহরুল আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে লঞ্চটিতে আ’গুন লাগে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। ঝালকাঠি সদর উপজে’লার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের গাবখান চ্যানেলে এলে লঞ্চ থেকে কিছু যাত্রী নামতে পেরেছেন।
ঝালকাঠির অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার মইনুল হক জানিয়েছেন, দ’গ্ধ ৭২ যাত্রী ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে কাতরাচ্ছেন। তাদের মধ্যে ২০ জনের অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের সিনিয়র স্টাফ নার্স মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দ’গ্ধ আট শি’শুসহ ৭২ জনকে হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এসেছেন।
যাত্রীরা জানিয়েছেন, অনেকেই লঞ্চ থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রা’ণ বাঁচিয়েছেন। যাত্রীদের ধারণা হতাহতের সংখ্যা অনেক।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কা’মাল হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, আ’গুন ভোর ৫টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
যাত্রীরা অনেকেই নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন। অনেকে হয়তো পারেননি।
সাইদুর রহমান নামের এই যাত্রী বলেন, লঞ্চে শি’শু, বুড়ো, নারীসহ কমপক্ষে তিন শতাধিক যাত্রী ছিল।
ইতালিফেরত এই যাত্রী বলেন, পোড়া গন্ধ পেয়ে আমি ভিআইপি কেবিন থেকে বের হয়ে দেখি লঞ্চে আ’গুন লেগেছে। তখন আমা’র স্ত্রী’, শ্যালক নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় নদী সাঁতরে তীরে উঠেছি। লঞ্চ ভাসতে ভাসতে কোথাও গিয়ে থেমেছে। তবে এটুকু বলছি, লঞ্চের কোনো অংশ পোড়ার বাকি নেই