![]()



সিলেটের বিশ্বনাথে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে দুই শি’শু স্কুল শিক্ষার্থীকে (১০) পালাক্রমে সংঘবদ্ধ বলাৎকার করেছে চার তরুণ।
বুধবার (২ জুন) বিকেলে চার তরুণের বি’রুদ্ধে বিশ্বনাথ থা’নায় লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছেন বলাৎকারের শিকার এক শি’শুর মা।
অ’ভিযু’ক্ত চার তরুণ হলেন উপজে’লার দৌলতপুর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের শফিক মিয়ার ছে’লে মিজান আহম’দ (১৯), শানুর মিয়ার ছে’লে সাদিক মিয়া (২০), মন্টু মিয়ার ছে’লে নিশাদ আহম’দ (২০), জফির মিয়ার ছে’লে সাজু মিয়া (১৯)।
অ’ভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিশ্বনাথ থা’না পু’লিশ অ’ভিযান চালিয়ে সাদিক ও সাজুকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে আ’ট’ক করে।
অ’ভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, আমা’র ছে’লে (১০) ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণিতে এবং আমা’র দেবরের ছে’লে (১০) বুরাইয়া কা’মিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। একই বাড়ির লোক হওয়ায় অ’ভিযু’ক্ত সাদিক মিয়া আমা’র ও আমা’র দেবরের ছে’লের সাথে খেলাধুলা করত। গত ২৫ এপ্রিল দুপুরে সাদিক তার বন্ধু মিজান, নিশাদ ও সাজুকে সাথে নিয়ে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে আমা’র এবং আমা’র দেবরের ছে’লেকে ভাটিপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর বাগানবাড়ির জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে পালাক্রমে আমা’র ছে’লেকে সাদিক ও নিশাদ এবং আমা’র দেবরের ছে’লেকে সাজু ও মিজান জো’রপূর্বক বলাৎকার করে। নিজে বলাৎকারের পাশাপাশি বন্ধুদের বলাৎকারের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে মিজান। কয়েকদিন ধরে অ’ভিযু’ক্তরা বলে বেড়াচ্ছিল, আমা’র ও আমা’র দেবরের ছে’লে বিভিন্ন খা’রাপ কাজ করছে। বিষয়টির ব্যাপারে স্থানীয় মুরব্বী খলিলুর রহমান একই গ্রামের সুন্দর মিয়াকে আমাদের বাড়ি পাঠালে তিনি আমা’র ও আমা’র দেবরের ছে’লে খা’রাপ কাজ করছে বলে একটি ভিডিও দেখান। ভিডিওটির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকেন গুলজার হোসেন নামে আমা’র বাড়ির এক দেবর। এক পর্যায়ে গত ৩১ মে স্থানীয় সিঙ্গেরকাছ বাজারের এসকে কম্পিউটারের মালিক ইউসুফের কম্পিউটারে মিজানের ধারণ করা বলাৎকারের ভিডিওটি পাওয়া যায়।
অ’ভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন বিশ্বনাথ থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) গাজী আতাউর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জ’ড়িত দু’জনকে আ’ট’ক করা হয়েছে। জ’ড়িত অন্যান্যদেরকে আ’ট’ক করতে অ’ভিযান চলছে। পাশাপাশি মা’মলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।