![]()


বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে পরিকল্পিত হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে বড়লেখা সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে হামলার শিকারদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও করেছে সংগঠনটি।
রোববার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বড়লেখা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রবিউল ইসলাম সোহেল। এসময় ইউনিয়নের সেক্রেটারি হাফিজ জয়নাল আবেদীন, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ফয়জুর রহমান, ভুক্তভোগী নবম শ্রেণির ছাত্র আবু বকর ও আবু সাঈদসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীরা ডিমাই বাজারে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে স্লোগান ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়। এক পর্যায়ে তারা ওয়ার্ড জামায়াত নেতা মো. সিরাজুল ইসলামের প্রবাসী ভাই ফয়ছল আহমদ মুন্নাকে লক্ষ্য করে হত্যাচেষ্টা চালায়। এতে মুন্নাসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন এবং দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বাজারে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, হামলার পর থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেনি। বরং ঘটনার ১১ দিন পর আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজ উদ্দিনের ভাই আব্দুল গণি উল্টো প্রবাসী, ছাত্রদল নেতা এবং নবম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীকে আসামি করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে মামলাটি ডিবিতে তদন্তাধীন।
রবিউল ইসলাম সোহেল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এ মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে নিরীহ মানুষকে আসামি করা হয়েছে।” তিনি অবিলম্বে অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই শিক্ষার্থীসহ নিরপরাধদের মামলা থেকে অব্যাহতি, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।