![]()


সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আজ শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে ১ হাজার ১৪০ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।
বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৮ জনের করো’না শনাক্ত করা হয়েছে। আ’ক্রান্তের হার ৪ দশমিক ৮২। বিভাগে মোট করো’না শনাক্ত হয়েছে ৫৪ হাজার ১৭০ জনের।
আজ শুক্রবার দুপুরে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট বিভাগে করো’না সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ছিল গত জুনের শেষ দিক থেকে। সে সময় থেকে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় ৩০ শতাংশের ওপরে শনাক্ত করা হতো। সম্প্রতি করো’না সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী। ১০ সেপ্টেম্বর জুনের পর সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছিল। গত বুধবার নমুনা পরীক্ষায় সেটি ৪ দশমিকে নেমে গিয়েছিল।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সিলেট জে’লায় রয়েছেন ১৯ জন, হবিগঞ্জে ৫ জন ও মৌলভীবাজার জে’লায় ১৪ জন। এ নিয়ে বিভাগে করো’নায় আ’ক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ১৭০। এর মধ্যে সিলেট জে’লার বাসিন্দা রয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৪৫ জন, সুনামগঞ্জের ৬ হাজার ২১৭ জন, হবিগঞ্জের ৬ হাজার ৫৯৬ জন ও মৌলভীবাজারের ৮ হাজার ১২ জন।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিনজনের মৃ’ত্যু হয়েছে। বিভাগে মা’রা গেছেন ১ হাজার ১৪০ জন। এর মধ্যে সিলেটের ৯৪৯ জন, সুনামগঞ্জের ৭২ জন, হবিগঞ্জের ৪৭ জন ও মৌলভীবাজারের ৭২ জন বাসিন্দা মা’রা গেছেন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করো’না থেকে নতুন করে ১৮৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে করো’না থেকে সুস্থ হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৩৩৭।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক হিমাংশু লাল রায় বলেন, সিলেট বিভাগে করো’নায় আ’ক্রান্তের হার নিম্নমুখী। সেই সঙ্গে আইসোলেশন সেন্টারগুলোতেও কমেছে রোগীর চাপ। বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতা’লে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১০৩। এর মধ্যে ৮৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন সিলেট জে’লার বিভিন্ন হাসপাতা’লে। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতা’লে চিকিৎসা নিচ্ছেন নয়জন, হবিগঞ্জে পাঁচজন ও মৌলভীবাজারে চারজন।
হিমাংশু লাল রায় করো’না সংক্রমণ রোধে সবাইকে সচেতন থাকার এবং স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।