![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন তথ্য-অনুসন্ধান মিশন তাদের নতুন প্রতিবেদনে বলেছে, মিনাবের একটি স্কুল এবং লামেরদের একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে দুটি হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী ছিল বলে মনে করার মতো ‘যৌক্তিক প্রমাণ’ রয়েছে এবং এসব হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
প্যানেলটি আরও বলেছে যে, দেশব্যাপী বিক্ষোভ দমনের সময় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের কর্তৃপক্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বেআইনি হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, খেয়ালখুশিমতো আটক ও জোরপূর্বক গুম।
মিনাবের শাজরে তাইয়্যিবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন, যার মধ্যে প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী ছিল।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই স্থানে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কমান্ডারের উপস্থিতি সম্পর্কে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলাটি চালায়। তবে ওই তথ্য যথেষ্টভাবে যাচাই করা হয়নি।
লামেরদের ক্রীড়া কমপ্লেক্সে হামলার ক্ষেত্রেও প্যানেলটি একই ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ২২ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত ও আহত হন এবং হামলাটি ছিল ‘নির্বিচারে’ চালানো।
ইরান পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা এর আগেও বলেছেন যে তাদের সামরিক অভিযান যুদ্ধসংক্রান্ত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই পরিচালিত হয়।