সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার যৌথ সংবাদ সম্মেলন

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সমৃদ্ধি, আঞ্চলিক শান্তি এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় জানিয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

সোমবার সকালে মালয়েশিয়ার পুত্রাজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পরদানা পুত্রা’য় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বার্তা আসে।

তার আগে একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সফররত প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, “আমাদের অতিথি হওয়ার জন্য এবং এত বড় একটি পরিবারের অংশকে (প্রতিনিধিদল) সাথে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনি অত্যন্ত আন্তরিক এবং সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। আমি আশা করি আমাদের এই পারিবারিক বন্ধন ও পারস্পরিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।”

অন্যদিকে তারেক রহমান বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আজকের এই আলোচনা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান সকালে ‘পরদানা পুত্রা’য় পৌঁছালে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তার স্ত্রী ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর প্রথমে একান্ত বৈঠকে মিলিত হন দুই নেতা। পরে তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বে দুই দেশের প্রতিনিধি দলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, কর্মী প্রেরণ, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প ও কৃষি, শিক্ষা ও জন-যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসে তারেক রহমান বলেন, “আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উত্থাপন করেছি।

“আমরা একমত হয়েছি যে শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে এবং শ্রমিকদের ব্যয় হ্রাস পায়।”

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, “তার (তারেক রহমান) অকপটতা এবং আমাদের অভিন্ন সংকল্পের প্রতি তার প্রতিশ্রুতিকে আমি সাধুবাদ জানাই। হ্যাঁ, আমাদের কর্মী প্রয়োজন, এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল, আমাদের কর্মী এবং তাদের পরিবারের কল্যাণ।

“কর্মীদের অবিরত শোষণ, তাদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং নিছক ব্যক্তিগত বা কোম্পানির লাভের জন্য তাদের ব্যবহার করা কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। ব্যক্তিগতভাবে এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও তিনি যে মনোভাব ব্যক্ত করেছেন, আমি তার আন্তরিক প্রশংসা করি।”

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ ও নিপীড়নের অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ধরনের বাড়াবাড়ি বন্ধ করতে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যাতে স্বচ্ছ হয় তা নিশ্চিত করতে আমাদের অবশ্যই নেতৃত্ব দিতে হবে। এটি উভয় দেশের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে, তবে অবশ্যই এসব কর্মী ও তাদের পরিবারের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: