cialis fiyat cialis sipariş http://umraniyetip.org/
Fapperman.com DoEscortscialis viagra viagra cialis cialis viagra cialis20mgsite.com geciktirici sprey azdırıcı damla
ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৮.৩ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলি অনিক। রেকর্ডও গড়েছেন দুজনে। সে সঙ্গে হৃদয়ের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ভারতের সামনে ২২৯ রানের লক্ষ্য দাঁড় করেছে বাংলাদেশ।
১১৪ বলে সেঞ্চুরি করেন হৃদয়। সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কার মার। ৩৪তম ম্যাচে এসে প্রথম সেঞ্চুরি পেলেন হৃদয়। এর আগে ৯৬ রানে অপরাজিত ইনিংস ছিল তার সর্বোচ্চ।
ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে হৃদয়-জাকের ২০৬ বলে ১৫৪ রান তোলেন। যা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এই উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি। আগের রেকর্ডটা ছিল সাউথ আফ্রিকার মার্ক বাউচার ও জাস্টিন কেম্পের। ২০০৬ সালে মোহালিতে ১৮৭ বলে ১৩১ রান তুলেছিলেন দুজনে।
ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান এবং সর্বোচ্চ বল খেলার রেকর্ডও এটি। সর্বোচ্চ রানের আগের রেকর্ড ছিল জাকের আলি ও মাহমুদউল্লাহর। গত ডিসেম্বরে ১৫০ রান করেছিলেন দুজনে। ষষ্ঠ উইকেটে সবচেয়ে বেশি বল খেলার রেকর্ড ছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ইমরুল কায়েসের। ২০১৮ সালে আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৫৩ বল খেলে ১২৮ রান করেছিলেন তারা।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪৯.৪ ওভারে ২২৮ রানে থামে টিম টাইগার্স।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সৌম্য ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগে। দ্বিতীয় ওভারে শান্তও ফিরে যান শূন্য রান করে। ২৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজকে ফেরান মোহাম্মদ শামি। মিরাজ ১০ বলে ৫ রান করেন।
৩৫ রানে আরও দুই ব্যাটারকে হারায় লাল-সবুজের দল। অক্ষর প্যাটেলের বলে তানজিদ তামিম ফিরে যান ২৫ বলে ২৫ রান করে। পরের বলেই গোল্ডেন ডাক মারেন মুশফিকুর রহিম।
এরপর হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলি অনিক। ২০৬ বলে ১৫৪ রান যোগ করেন দুজনে। ৪২.৪ ওভারে দলীয় ১৮৯ রানে জাকেরকে ফিরিয়ে ওয়ানডেতে নিজের দুইশতম উইকেট পূর্ণ করেন মোহাম্মদ শামি। চারটি চারে জাকের ১১৪ বলে ৬৮ রান করেন। পরে রিশাদকে নিয়ে আরও ২৫ রান যোগ করেন হৃদয়। ৪৫.৩ ওভারে ২১৪ রানে ফিরে যান রিশাদ। ২টি ছক্কা ও এক চারে ১২ বরে ১৮ রান করেন রিশাদ।
২১৫ রানে অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তানজিম সাকিব ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। পরে তাসকিনকে নিয়ে ১১৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। ৪৮.৪ ওভারে ২২৮ রানে তাসকিনকে ফিরিয়ে পঞ্চম শিকার তুলে নেন শামি। পরে ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে আউট হন হৃদয়। দুই ছক্কা ও ছয়টি চারে ১১৮ বলে ১০০ রান করেন টাইগার ব্যাটার। বাংলাদেশ থামে ২২৮ রানে।
ভারতের হয়ে মোহাম্মদ শামি ৫ উইকেট নেন। হর্ষিত রানা তিনটি এবং অক্ষর প্যাটেল দুটি উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ৪৯.৪ ওভারে ২২৮/১০ (তামিম ২৫, সৌম্য ০, শান্ত ০, মিরাজ ৫, হৃদয় ১০০, মুশফিক ০, জাকের ৬৮, রিশাদ ১৮, সাকিব ০, তাসকিন ৩, মুস্তাফিজ ০*
ভারত: শামি ১০-০-৫৩-৫ ,রানা ৭.৪-০-৩১-৩, অক্ষর ৯-১-৪৩-২, পান্ডিয়া ৪-০-২০-০, জাদেজা ৯-০-৩৭-০, কুলদীপ ১০-০-৪৩-০)