![]()


সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা ::
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার আফম আনোয়ার হোসেন খানের বিরুদ্ধে চোরাচালান, অবৈধ বালু ব্যবসা, ঘুস লেনদেন ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ২৪তম বিসিএস (পুলিশ)-এর এই কর্মকর্তা গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে যোগদানের পর থেকে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে একটি বিশেষ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জাদুকাটা ও ধোপাজান নদীর অবৈধ বালুমহাল থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা আয় করেন তিনি। জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামসহ স্থানীয় কিছু কর্মকর্তা তার সিন্ডিকেটের অংশ বলে জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আনোয়ার হোসেন খানের নেতৃত্বে সুনামগঞ্জে চোরাচালান, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পুলিশের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে পুলিশের আইজি বাহারুল আলম জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া, এসপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ওসি ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বদলির মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের জন্য তার নিজস্ব লাইনম্যান থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
তবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষের মধ্যে এসপির কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বিরাজ করছে।