![]()


বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করায় প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার খাসা গ্রামের জয়নুল ইসলাম জবু। প্রতিপক্ষ তাকে ফাঁসাতে রাজনৈতিক মামলায় আসামি করার পাশাপাশি হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জবু জানান, তাবলীগ জামায়াতের লোক হিসেবে অধিকাংশ সময় দাওয়াতি কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তার এক আত্মীয়কে ইটালি পাঠাতে একই উপজেলার কোনা গ্রামের মৃত সিদ্দেক আলীর ছেলে বদরুল ইসলামের সাথে গত বছরের ৫ জানুয়ারি ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে দু’দফায় তিনি ৭ লাখ ৫০ হাজার ১শ টাকা প্রদান করেন। তিন মাসের মধ্যে বিদেশ পাঠানোর কথা থাকলেও কথা রাখতে পারেননি বদরুল। পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে বদরুল টালবাহানা শুরু করেন। স্থানীয়ভাবে এ নিয়ে বিচার প্রার্থী হলে বদরুল নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। এ ব্যাপারে তিনি গত বছরের ১৬ এপ্রিল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪ নং আমলী আদালত সিলেটে বদরুল, তার ভাগনা মামুন ও হাসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
জয়নুল ইসলাম জবু অভিযোগ করেন, মামলার খবর পেয়ে নানাভাবে উৎপাত শুরু করেন বদরুল। গত ৫ আগষ্ট বিয়ানীবাজার পৌর শহরে ছাত্রজনতার মিছিলে হামলা, আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনসহ নানা অভিযোগে গত ১ অক্টোবর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন বড়গ্রামের নাজমুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে তাজিম চৌধুরী। যিনি বদরুল ইসলামের শ্যালক। জবু বলেন, আমি কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নয় এবং মামলার বাদীকেও চিনি না। এরপরও ওই মামলায় তাকে ২১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। তাছাড়া, ঘটনার সময় তিনি তাবলীগ জামায়াতে ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ক্ষান্ত হয়নি, বদরুল বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী-কন্যাকে ভয়ভীতি দেখায়। ভীত ও নিরুপায় হয়ে তার স্ত্রী বদরুলকে ৪০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। জবু বলেন, আমার ভাই শিহাবুল ইসলাম বিষয়টি জানার পর বাদী তাজিমের সাথে কথা বলেন। বাদী তাজিম বলেছেন তিনি ২১ নং আসামিকে চিনেন না। তার ভগ্নিপতি বদরুল তাকে আসামি করিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার ও বদরুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি