![]()


স্টাফ রিপোর্টার ::
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় একটি পুরনো রাস্তা দখল করে সেফটিক ট্যাংকি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রায় ৪০টি পরিবারের চলাচল ব্যাহত হয়েছে। সোমবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন গোলাপগঞ্জের উত্তর আলমপুর লম্বাহাটি গ্রামের জাকির হোসাইন।
জাকির হোসাইন জানান, ২০০ বছরের পুরনো রাস্তায় ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি সেফটিক ট্যাংকি নির্মাণ শুরু করেন। এতে গ্রামবাসী রাস্তাটি ব্যবহার করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জাকির বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বিষয়টি আপসে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তাতে সাড়া দেননি। পরে সেনা ক্যাম্পে একটি সমঝোতার মাধ্যমে সেফটিক ট্যাংকি অপসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা রাস্তাটি দখলের জন্য আদালতে মামলা করেন এবং পুলিশের সহযোগিতায় মামলার প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই বিভাষ সিংহ প্রতিবেদনে রাস্তার অস্তিত্ব গোপন করে একে বাড়ির উঠান হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাকির হোসাইন বলেন, “এএসআই বিভাষ এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা বড় অংকের টাকার বিনিময়ে এই মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। এর ফলে রাস্তাটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, বরং সেফটিক ট্যাংকি নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।”
তিনি প্রশাসনের কাছে বিষয়টি পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, “মিথ্যা প্রতিবেদনের জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। পাশাপাশি, রাস্তার অবৈধ দখল মুক্ত করে এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।”
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।