![]()



ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা ইয়াকুব আলী ও ছে’লে আজগর আলীর মৃ’ত্যু হয়েছে।
শুক্রবার স্থানীয় কবরস্থানে বাবা ও ছে’লের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। একসাথে স্বামী ও সন্তানকে হা’রানোর শোকে ইয়াকুব আলীর স্ত্রী’ ও আজগর আলীর মা আয়েশা খাতুন এখন মৃ’ত্যুশয্যায়। একই পরিবারের দুইজনের মৃ’ত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নি’হত আজগর আলী হরিপুর উপজে’লা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।
প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ইয়াকুব আলী (৭০) জ্বর, সর্দিকাশি ও শ্বা’সক’ষ্টে ভুগছিলেন। করো’না উপসর্গ থাকায় ২৫ জুন স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে রেফার্ড করা হয়। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করো’না শনাক্ত হলে তিনি সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার কিছুটা সুস্থবোধ করলে তিনি হরিপুরের বাড়িতে ফিরে আসেন। বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পর রাত আটটার দিকে মৃ’ত্যু হয় ইয়াকুব আলীর।
এদিকে ৩০ জুন ছে’লে আজগর আলীর (৫৬) শরীরে করো’না শনাক্ত হলে তাকেও দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। ১ জুলাই বৃহস্পতিবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হলে রাত ১২টার দিকে তার মৃ’ত্যু হয়।
সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহফুজার রহমান সরকার জানান, হঠাৎ করে জুন মাসের প্রথম থেকেই জে’লায় আ’ক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর হার বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃ’ত্যু নেই, তবে ২৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২৫ জন নতুন সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে।
২০২০ সালের ১১ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বপ্রথম করো’না রোগী শনাক্ত হয়। পূর্বের রিপোর্টসহ এ নিয়ে ঠাকুরগাঁও জে’লায় সর্বমোট করো’না সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৫০৯ জন, যাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে ২ হাজার ৪৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং সর্বমোট মৃ’ত্যু হয়েছে ৮৩ জনের।