![]()



“যে ভাষায় কথা বলে নদী
পাখি গান গায়
কালস্রোত লেখা হয় পাতায় পাতায়।”
ত্রিপুরার প্রত্যন্ত গ্রাম রাজধর মানিক্যের স্মৃতিবিজড়িত রাতাছড়া থেকে ত্রিপুরার লিটলম্যাগাজিন আন্দোলন ও প্রকাশনার জগতে একউল্লেখযোগ্য নাম “স্রোত “।ইতিমধ্যে তিমিরবরণ চাকমা অনুদিতচাকমা ভাষায়”গীতঞ্জলী” ও সেবিকা ধরের”মানবীবিদ্যার আলোকে
নারী এক ভিন্নমাত্রিকপাঠ” প্রকাশের জন্য পর পর দু’বার ত্রিপুরা সরকারের শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরস্কারসহ শ্যামলভট্টাচার্যের উপন্যাস “লোদ্রভার কাছাকাছি”পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক বাংলা একাডেমিপুরস্কারে ভূষিত হয় ‘স্রোত’।,স্রোত বই ছাপে না,বই ছেপে প্রকাশ করে উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাহিত্য সৌন্দর্য।”উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাহিত্য সৌন্দর্য বিশ্বজুড়ে বাংলাভাষী পাঠকের কাছে পৌঁছে যাক এই প্রত্যাশা করে স্রোত । এভাবেই সাহিত্যের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। সাহিত্য সীমান্ত অতিক্রম করে।
‘স্রোত’ পরিবারের আরো দু’টি প্রকাশনা:বইবাড়ি ও অন্যপাঠ।স্রোত প্রকাশনার নতুন বই পরিচয় :২০২১ বইগুলো প্রকাশিত হবে আগরতলা বইমেলায় স্রোত প্রকাশনার স্টলের সামনে।যে বইগুলো প্রকাশিত হবে:হৃদয়ে রাইমা (আত্ম উপন্যাস)
হারাধনবৈরাগী, এই চরাচর বিস্তৃত পর্বতসঙ্কুল মহীরুহ, সলিলধারা ও শস্যেভরপুর হরিৎভূমি ভ্রামনিকের নন্দনপট। একইসাথে প্রেমিকের হৃদয়নিকেতন। এই বনভূমি- মনোভূমিও। কোন সরকারী বাধকতায় নয়, শিব্রাইপ্রতিম প্রিয়জনদের ভালবাসায় আহিত হয়েই জন্ম জন্মান্তরে ফিরে আসতে চাই এই কিরাতভূমে। যেখানে সাহেব, কেশরি, সাম্পাইতি, রোয়াং, রামজয়, কাজরী, রাইমা, হৃদিতার মতো স্বর্গের নিভৃতচারীদের গাইরিঙহৃদয় গহনের অতল স্পর্শ। গামাই, গর্জন, সুন্দি, চামল, বাঁশ, উদালের ছায়ায়। কাকলু, চাকুমারা আর চুয়াকের মায়ায়। রাইমা সাইমার অবিন্যস্ত তটরেখায়, জুড়িনারী তৈংতুইয়ার উষ্ণ বুক থেকেই যেন দেখতে পাই পৃথিবীর প্রথম আলো। আমি তো নিমিত্তই। এই স্মৃতিচারণ জগবন্ধুরই মহিমা।
বাঙালি মুসলমান সমাজের বিয়ের গীত
ও আচার-অনুষ্ঠান ড. অনির্বান দত্ত, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘বিয়ে’ নারী-পুরুষের মধ্যে এক চুক্তিবিশেষ হলেও বাঙালি মুসলমান সমাজে এই সামাজিক অনুষ্ঠানটি গীত ও লৌকিক আচারে সমৃদ্ধ ।
গ্রন্থটিতে ‘বরাক উপত্যকার বাঙালি মুসলমান ‘ সমাজে প্রচলিত বিয়ের সামগ্রিক রূপের পরিচয়ের পাশাপাশি সমাজতত্ত্বের দর্পণে বিয়ের গীত ও আচার-অনুষ্ঠানের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্নেষণ করেছেন লেখক।
রবীন্দ্রনাথ ত্রিপুরা ও বিচিত্র প্রসঙ্গ বিকচ চৌধুরী, ত্রিপুরার তিন দশক কালের রবীন্দ্র গবেষণার ক্ষেত্রে বিকচ চৌধুরী একটি বিশিষ্ট নাম।
অতলান্ত ভালবাসা ও সুগভীর অন্বেষা নিয়ে “ত্রিপুরা কবি” রবীন্দ্রনাথকে তিনি তাঁর বিভিন্ন রচনা ও
একাধিক গ্রন্থের মাধ্যমে নানাভাবে পাঠকের কাছে মূর্ত করে তুলে ধরেছেন।
“রবীন্দ্রনাথ ত্রিপুরা ও বিচিত্র প্রসঙ্গ ” বিকচ চৌধুরীর গভীর অনুভব ও বিচিত্র অনুসন্ধানের একটি অভিনব সংযোজন।ভ্রমণবিলাসী রবীন্দ্রনাথের বিশ্বের নানা প্রান্তে ভ্রমণের বিচিত্র কৌতুকপ্রদ নানা উপাখ্যান লেখক যেমন তুলে ধরেছেন,তেমনি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত সাধানার ইতিহাসে পুববাংলার সঙ্গীত সাধকদের,বিশেষ করে সুফি বাউল সাধকদের প্রভাবের কথা আলোচনা করতে গিয়ে লেখক দেখিয়েছেন কী করে কবি গভীর ভাবে গ্রাম বাঙলার সুফি বাউলদের জীবন দর্শনের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন।লেখক বিস্তৃত গবেষণামূলক তথ্যের মাধ্যমে পুববাংলার দুই প্রখ্যাত লোককবি হাছন রাজা ও লালন শা ‘র রচিত নানা গানের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিশেষ বিশেষ গানের সুর ও দার্শনিক ভিত্তির তুলনীয় বৈশিষ্ট্য এর কথাও বিস্তৃত ভাবে তুলে ধরেছেন।
রাবীন্দ্রনাথের কিশোর বয়েস থেকে কবি জীবনের শেষ লগ্ন পর্যন্ত ত্রিপুরার রাজকুলের চার পুরুষ ধরে তাঁর যে আত্মার বন্ধন গড়ে উঠেছিল ছয় দশকব্যাপী বিস্তৃত সেই গৌরবময় অধ্যায়েরও লেখক আলোচনা করেছেন অত্যন্ত শ্রমসাধ্য প্রয়াসের মাধ্যমে।
এই গ্রন্থে আরেকটি দিক আছে যেখানে গভীর নিষ্ঠার সঙ্গে লেখক ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আবৃত ইতিহাস উন্মোচনে ব্রতী হয়েছেন একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে।সেই পর্বেই যুক্ত হয়েছে একটি অনন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যবহুল নিবন্ধ যেখানে লেখক ত্রিপুরার সদ্যপ্রয়াতা মহীয়সী রাজকুমারী কামলপ্রভা দেবীর অভূতপূর্ব রোমাঞ্চকর শিল্পকলা সংস্কৃতি ও সাহিত্য চর্চার নিরলস সাধনার সঙ্গে এই প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে চেয়েছেন।এই অসামান্য নারীর সৃষ্টির অবদান সম্পর্কে এর আগে আর কোথাও এমন আলোচনা আমাদের চোখে পড়েনি।
এছাড়াও”ত্রিপুরা ও মুক্তিযুদ্ধ” এই পর্যায়ে একটি সাক্ষাৎকার ও একটি নিবন্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরার গৌরবজনক ভূমিকার কথা বিশদ ভাবে আলোচিত হয়েছে।
“কিছু অনুভব”এই পর্যায়ে লেখক জীবনের সরণি বেয়ে চলতে চলতে তার বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা খোলামনে ব্যক্ত করেছেন।এই অধ্যায়টি লেখকের ব্যক্তিগত অনুভবের হলেও সবগুলি লেখার মধ্যে সমকালের জীবন ও সমাজের একটি বার্তাও অবশ্যই রয়েছে।
“পরিশিষ্ট পর্যায়ে” মুক্তিযুদ্ধ কালীন সাংবাদিক বিকচ চৌধুরীর উপর আলোকপাত করেছেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট সাংবাদিক মানস পাল ও মুক্তিযুদ্ধ কালে ত্রিপুরায় শরণার্থী জীবনের স্মৃতিচারণ করেছেন বর্তমানে ব্রিটেন প্রবাসী কলামিস্ট ইমরান আহমেদ চৌধুরী।
“স্রোত প্রকাশনা”র এই নতুন সংযোজনটি একটি ভিন্ন ধারার প্রয়াস এবং আশা করি তা পাঠক-নন্দিত হবে।
শান্ত বালা হাসে,মাধুরী লোধ, ত্রিপুরার কথাসাহিত্যে পরিচিত নাম।শান্ত বালা হাসে তাঁর সাম্প্রতিক উপন্যাস। ত্রিপুরায় রেল আন্দোলন, বিলোনীয়ায় রেল পৌঁছায় বলে সেখানকার মানুষের আনন্দ উল্লাস আর দীর্ঘদিনের যাত্রাকালীন পথের কষ্টের দিনলিপি এই উপন্যাস।
লালমাটির শিকারি
শ্যামল বৈদ্য,ত্রিপুরার জনজাতি জীবনের বৈচিত্র্য ধরা আছে উপন্যাসে। মাটির খুব কাছাকাছি থেকে পাহাড়ের ভিন্নভিন্ন সুর, ভিন্নভিন্ন পথের অনুসারীদের দেখা মেলে। একমাত্র বনতুলা নামক অশীতিপর শিকারির জীবনে কোনও নতুনত্ব নেই। পাহাড়ের চিরায়ত সংস্কার তার মজ্জায়। মানুষকে ভালবেসে কী করে উজাড় করে দিতে হয় এই বৃদ্ধকে না-পড়লে বোঝা যায় না। পাড়ের অন্তরের অন্তঃস্তল থেকে ওঠা বেদনার কাহিনি। আছে ত্রিপুরীদের শিকারের দারুণ সব বর্ণনা। অবশ্যই আছে পাহাড়ি-বাঙালির সম্পর্কের টানাপোড়েন। এ সব নিয়েই বেঁচে আছি আমরা। লেখকের চোখে সুন্দরতম রাজ্য আমাদের ত্রিপুরা। লেখক এর মধ্যেই তাঁর লেখার শৈলী দিয়ে বাংলা পাঠকের কাছে সমাদৃত। এই উপন্যাস তাঁর নবতম সংযোজন। এর বিন্যাস এবং কাহিনি নতুন মাত্রা পাবে আমদের বিশ্বাস।
দেওনদীর জল, পদ্মশ্রী মজুমদার, দেও একটি নদী।জাম্পুইটাং জোন থেকে কলকল প্রবাহিত হয়ে উত্তর ত্রিপুরার কাঞ্চনপুর ছুঁয়ে পেঁচারথল হয়ে কুমারঘাট হালাইমুড়ায় মনুতে মিশেছে। কথাসাহিত্যিক পদ্মশ্রী মজুমদারের জন্ম শহর কুমারঘাট।এই দেওনদীর শহরের মানুষ মূলত বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার সংলগ্ন অঞ্চল থেকে এদেশে আসেন। তাঁর অধিকাংশরাই এই অঞ্চলে বসবাস করেন।তাঁদের সংস্কৃতি কি রকম এই অঞ্চলে মিলেমিশে দেওনদীর সাথে একাত্ম হয়েছে তারই গল্প কথাসাহিত্যিক পদ্মশ্রী মজুমদার নিটোলভাবে নিজস্ব বুননে তুলে ধরেছেন এই উপন্যাসে। পাশাপাশি তিনি নদীর রূপকথা মানুষের দূঃখ যন্ত্রণা দেশভাগের ফলে শেকড়হীন মানুষের কাহিনী অসম্ভব যত্নে গেঁথে রেখেছেন।পদ্মশ্রীর প্রথম উপন্যাস দেওনদীর জল। তাঁর উপন্যাস পড়লে আবহমান নদীমাতৃক উপন্যাসের ভিন্নমাত্রিক স্বাদ পাঠকের নিকট ধরা পড়বে। এখানেই উপন্যাসের সফলতা।
ত্রিপুরার চারটি উপন্যাস
সম্পাদনা,গোবিন্দ ধর, বিমল চক্রবর্তী, শ্যামল বৈদ্য, সুস্মিতা দাসের চারটি প্রবন্ধের পাশাপাশি আছে চারটি উপন্যাস। উপন্যাসগুলো লাল মাটির শিকারি:শ্যামল বৈদ্য,চেনা মানুষ অচেনা গল্প:অনুপ ভট্টাচার্য, ভালোবাসার কলাকৌশল :কিশোররঞ্জন দে ও দেওনদীর জল :পদ্মশ্রী মজুমদার। বইটি উপন্যাস পাঠকের কাছে ভিন্নমাত্রা দেবে বিশ্বাস।
ভালোবাসার কলাকৌশল,কিশোররঞ্জন দে,ছোট একটি উপন্যাস। মাত্র ৬৮ পাতা।লেখকের অন্যান্য গল্প সংকলন উৎসে আরোগ্য আছে,মেধাবী ঘাতক,আইজলের বিষপাখি ও একটি বদলির আদেশ,পালিয়ে যাবার অ আ ক খ।কবিতা সংকলনগুলো হলো:কবিকে পাথর ছুঁড়ে মার,যুবকের হাত সারারাত পাপ ছোঁয়নি।কথাসাহিত্যিক কিশোররঞ্জন দে’র ছোট ছোট অনেকগুলো উপন্যাস বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও এটা বই আকারে তাঁর প্রথম উপন্যাস। আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে।
চেনা মানুষ অচেনা গল্প
অনুপ ভট্টাচার্য, উত্তরপূর্ব ভারতের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক অনুপ ভট্টাচার্যের উপন্যাসে সমাজ জীবনের অবমূল্যায়ন ভেঙে চৌচির হয়ে যাওয়া আজকের মানুষের মূল্যবোধ তাঁকে বিষয় পীড়িত করে।তিনি তাই জীবন ঘনিষ্ঠ, রক্তমাংস মেদ মজ্জাময়। ভাষা তাঁর প্রত্যহিক যাপনের দর্পণ হয়ে মানব সম্পর্কের জটিল এক মেঘরৌদ্র ছায়া।চেনা মানুষ অচেনা গল্প উপন্যাসেও কথাসাহিত্যিক অনুপ ভট্টাচার্য নিজস্ব ঢংয়ে গল্পের বুননকৌশল বজায় রেখেছেন।পাঠক ঠকবেন না বিশ্বাস।
ত্রিপুরার উপন্যাস
সম্পাদনা, গোবিন্দ ধর,ত্রিপুরার উপন্যাস আলোচনার একটি প্রবন্ধ সংকলন।ত্রিপুরার উপন্যাস শিল্প :পাঠপ্রতিক্রিয়ার সূচনাপর্ব -বিমল চক্রবর্তী, ত্রিপুরার উপন্যাসে নদী-শ্যামল বৈদ্য,সাম্প্রতিকতার আলোয় ত্রিপুরার উপন্যাস -সুস্মিতা দাস ও শ্যামল বৈদ্যের কথাকল্পে বাস্তবতা -বিমল চক্রবর্তী। ত্রিপুরার উপন্যাস আলোচনা বিষয়ে বইটি ভিন্নমাত্রা সংযোজন করবে আশা রাখি।
মুক্তিযুদ্ধের আলোকে বাংলাদেশের নির্বাচিত উপন্যাস, মধুমিতা দেবসরকার,বাঙালির জীবনে ও সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন করে মূল্যায়ণ করার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাসগুলির অবদান অপরিসীম। উপন্যাসগুলো থেকে গবেষক প্রাবন্ধিক মধুমিতা দেবসরকার নির্বাচিত উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করেছেন।ত্রিপুরায় এরকম কাজ প্রথম।গবেষকদের কাজে আসবে নিশ্চিত।
প্রেমের গল্প ভালোবাসার গল্প
প্রণব চৌধুরী, গল্পগুলো লেখকের নিজস্ব বয়নে নিটোল প্রেমের গল্প ভালোবাসার গল্প হয়ে উঠেছে।আশা করি গল্প পাঠে উৎসাহিত পাঠকের মননে আনন্দ দিতে সক্ষম হবে।
ছোটদের গল্প মজার গল্প হাসির গল্প, প্রণব চৌধুরী,এই সময় ছোটদের উপযোগী গল্প বলার দরকার অথচ শিশুদের মনোজগৎ নিয়ে যেন আমাদের কোন দায় নেই এমন এক ভান করা সময়ে প্রণব চৌধুরী শিশুদের মজার গল্প হাসির গল্প পরিবেশন করে আমাদেরকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করেছেন।তাঁর কলম গল্প বুনতে দক্ষ। তাঁর দক্ষতায় শিশুরার পাশাপাশি বড়রাও আনন্দ ও মজা পাবেন বিশ্বাস রাখি।
স্রোত প্রকাশনা প্রতিবছরের মতো এ বছরও বেশ কিছু বই পাঠকের নিকট পৌঁছে দিতে হাজির।পাঠকের ভালো লাগবে।মন জয় করবে বরাবরের মতোই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ত্রিপুরা সরকারী চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যক্ষ কবি রামেশ্বর ভট্টাচার্য, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রাবন্ধিক নির্মল দাশ,কথাসাহিত্যিক দেবব্রত দেব, বিমল চক্রবর্তী, ও শ্যামল বৈদ্য মহোদয়।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত কবিদের কবিতাও পাঠ হবে।সকলের উপস্থিতি কামনা করে প্রকাশক সুমিতা পাল ধর বিবৃতিতে জানিয়েছেন কথাগুলো।