![]()


মৌলভীবাজার সংবাদদাতা ::
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে জামেয়াতুল ফালাহ মাদরাসায় ছাত্র-শিক্ষকদের উপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদরাসার মুহতামিমসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেরপুর আবাসিক এলাকার জামেয়াতুল ফালাহ মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার চান মিয়া মাদরাসার পাশ দিয়ে যাওয়া ড্রেন বন্ধ করে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই তিনি দেশীয় অস্ত্রসহ ছেলে ও আত্মীয়দের নিয়ে হামলা চালান।
আহতরা হলেন: মুহতামিম মুফতি ওয়াজিরুল ইসলাম (৪০), শিক্ষক মাওলানা গিলমান আহমদ (৩৮), অফিস সহকারী রাহেল আহমদ (২৭), স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল আহমদ (৩৫) ও দিলাল আহমদ (২৫)। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ ও সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযান চালিয়ে শেরপুর আবাসিক এলাকার মো. চান মিয়ার বাড়ি থেকে একটি পাইপগান ও দেশীয় অস্ত্রসহ তাকে ও আরও দুইজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন, শেরপুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা হরমুজ উল্লাহর পুত্র মো. চান মিয়া (৫০), নবীগঞ্জের মজলিসপুর গ্রামের বশির মিয়ার পুত্র আব্দুল হামিদ (৩০) এবং খালেদ মিয়া (২৮)।
শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শিপু কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদরাসার শিক্ষকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। আটক তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মাদরাসার মুহতামিম মুফতি ওয়াজিরুল ইসলাম বলেন, “চান মিয়া আমাদের জায়গার ড্রেন বন্ধ করে সালিশের কথা বলে নিজেই হামলা চালান। আমরা আহত হওয়ার পর স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।