![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড সুমন ওরফে কালা সুমনসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাস্টারমাইন্ড মো. খোকন মাতবর ওরফে কালা খোকন (৩৯), তার সহযোগী সুমন ওরফে কালা সুমন (৩০) ও মো. তুহিন হোসেন (৪২)।
র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার মাদারীপুর ও ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামে এক পোশাক ব্যবসায়ীকে কয়েকজন দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসহভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং চোখ উপড়ে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর সাইফুল হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত রাজন হোসেন (৩১), মো. জানে আলম (৩৬), মো. সুমন ওরফে গর্দা সুমন (২৫), মো. লিটন হোসেন (২৬), মো. দিপু (২৩), মো. সরোয়ার আকন্দ (২৬) ও মো. সজীবদের (২৯) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড সুমন ওরফে কালা সুমন, তুহিন ও খোকন মাতব্বর ওরফে কালা খোকন পলাতক থেকে যান।
তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদারীপুর ও ঢাকার জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাইফুল হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মাস্টারমাইন্ড সুমন ওরফে কালা সুমন, তুহিন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন বয়েজ ক্লাব এলাকায় অপর একটি অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড মো. খোকন মাতবর ওরফে কালা খোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তারা হত্যা মামলা রুজুর পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন।
এছাড়া গ্রেপ্তার সুমন ওরফে কালা সুমনের বিরুদ্ধে ডাকতি, চুরি ও মাদকসহ ৫টি মামলা, তুহিনের বিরুদ্ধে ৪টি মাদক মামলা ও খোকন মাতবর ওরফে কালা খোকনের বিরুদ্ধে চুরি, মাদকসহ ৫টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। গ্রেপ্তার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।