![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে পশুর নদীতে জোয়ারের পানি বেড়েছে। এতে তলিয়ে গেছে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র। এ ছাড়াও ভরা জোয়ারে পানিতে তলিয়েছে সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকা।
বৃহস্পতিবার থেকে নিম্নচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে দুই থেকে তিন ফুট উচ্চতায় পানি বৃদ্ধি পায়। বৃষ্টির পানিতে মোংলা বন্দর পৌরসভার নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়। এর মধ্যে ভারী বর্ষণে জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
পুর্ব সন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানান, বৃহস্পতিবার সুন্দরবনের সবচেয়ে উঁচু এলাকা করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রটি জলোচ্ছ্বাসে দুই ফুট পানিতে দু’বার তলিয়ে গেছে। তবে প্রজনন কেন্দ্রের শেডে থাকা হরিণ, কুমির ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুর বাচ্চা কচ্ছপগুলো নিরাপদ রয়েছে।
তিনি জানান, বঙ্গোপসাগর উপকূলে সুন্দরবনের নিচু এলাকায় হরিণসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী ঝড় জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাছ ও শতাধিক পুকুরের উঁচু পাড় এবং বন বিভাগের অফিস এলাকায় আশ্রয় নিয়ে টিকে থাকে।
আজাদ কবির বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে সুন্দরবনের প্রাণীদের রক্ষায় মাটির উঁচু ১২টি টিলা নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলো সম্পন্ন হলে নদীর পানি ৫/৭ ফুট হলেও বন্যপ্রাণীর কোনো সমস্য হবে না। তারপরেও আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছি, যাতে বন্যপ্রাণীর কোনো ক্ষতি না হয়।