সর্বশেষ আপডেট : ৪০ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন কার্ল ডাইসেরথ, পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা শুরু হয়েছে চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরতত্ত্বের পুরস্কার দিয়ে। এ বছর যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ, পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে নোবেল কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের নাম ঘোষণা করে।

আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিক্স-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাঁদের এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। তাঁদের গবেষণার মাধ্যমে আলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের পথ উন্মুক্ত হয়েছে, যা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নোবেল পুরস্কারের ঘোষণার প্রথম দিন চিকিৎসাবিজ্ঞান দিয়ে এবারের পুরস্কার ঘোষণা শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি এবং অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, নোবেল পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার। সুইডিশ বিজ্ঞানী ও শিল্পোদ্যোক্তা আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী ১৯০১ সাল থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তি—এই পাঁচটি বিভাগে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতেও নোবেল স্মারক পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় মানবদেহ, রোগ, জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বা অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে। এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা এই পুরস্কার পেয়েছেন।

আর অপটোজেনেটিক্স হলো আলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কোষ, বিশেষ করে স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের একটি আধুনিক গবেষণাপদ্ধতি। ২০০০-এর দশকে এ প্রযুক্তির বিকাশ স্নায়ুবিজ্ঞান গবেষণায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনে। আলো-সংবেদনশীল প্রোটিন বা আয়ন চ্যানেল ব্যবহার করে নির্দিষ্ট নিউরনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মস্তিষ্কের বিভিন্ন কার্যপ্রক্রিয়া বোঝার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসেরথ, পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেলের গবেষণা স্নায়ুবিজ্ঞান ও কোষীয় কার্যক্রম বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: