সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৬৪-তে প্রসেনজিৎ, এখনো খুঁজছেন নতুন চরিত্র

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

কয়েকটি প্রজন্ম যাঁর সিনেমা দেখে বড় হয়েছে, তিনি কলকাতার অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমা করে কয়েক দশক কাটিয়ে দেওয়ার পর ২০১০ সালের পর থেকে কাজে ভিন্নতা আনেন তিনি। যেসব কাজে প্রসেনজিৎকে ‘অভিনেতা’ হিসেবে আবিষ্কার করেন দর্শক।

বুধবার প্রসেনজিতের ৬৪তম জন্মবার্ষিকী। কাজে তাঁর বিরাম নেই। নতুন কী ধরনের কাজের কথা ভাবছেন জানতে চাইলে কলকাতার বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারকে বলেন, “সেটাই চিন্তার। এত চরিত্র করে ফেলেছি। এখন ভাবতে হয়, নতুন আর কী করব!”

নিজেকে অভিনেতা হিসেবে ভাঙাগড়ায় বিশ্বাস রাখেন—বরাবরই তা বলে এসেছেন প্রসেনজিৎ। কয়েক মাসের ব্যবধানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে রকস্টার ও ডাক্তার রূপে, দুটি সিনেমায়।

প্রসেনজিৎ বলেন, “কাজ নিয়ে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সহজে আর এ রকম চরিত্র আসছে না, যা আগে করিনি। ভাঙাচোরারও তো একটা সীমা আছে। আর আলাদা কী করব, বুঝে উঠতে পারছি না।”

তবে তিনি মনে করেন, গত ১০-১২ বছর ধরে চলা চরিত্র খোঁজার সংগ্রাম তাঁর একান্ত নিজের। যে কারণে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তা হলো, বছরে দুটি সিনেমা করবেন কেবল বাণিজ্যের কথা মাথায় রেখে। আরও দুটি করবেন, যা তাঁর পছন্দের।

অভিনেতার কথায়, “আমার কাছে কেউই খুব সাধারণ চরিত্র নিয়ে আসেন না। যাতে নতুন কিছু করার আছে, তেমনই জিনিস নিয়ে আসেন।”

তিনি বলেন, “আমাদের যেমন মাল্টিপ্লেক্সে ছবি দেখাতে হবে, তেমনই যারা এসব জায়গায় যান না, তাঁদের কাছেও সিনেমা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।”

এক সময়ে বাংলা সিনেমার শো হাউসফুল হতো, সেই সব দর্শককে ফেরাতে সাধারণ সিনেমা হল দরকার বলে মনে করেন প্রসেনজিৎ।

১৯৬৮ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে হৃষিকেশ মুখার্জির ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ সিনেমায় প্রথম পর্দায় আসেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে প্রসেনজিৎ। আর ১৯৮৭ সালে সুজিত গুহের ‘অমর সঙ্গী’তে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই নায়ককে, একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন ভক্তদের।

নব্বই দশকের শুরুতে ডেভিড ধাওয়ানের ‘আঁধিয়ান’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল প্রসেনজিতের। এর আগে সালমান খান অভিনীত ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ করারও প্রস্তাব এসেছিল অভিনেতার কাছে। এছাড়া তিনি কাজ করেছেন ‘সাংঘাই’ নামের একটি সিনেমায়।Image

তবে প্রসেনজিৎকে ‘অভিনেতা’ হিসেবে তুলে ধরেন প্রয়াত নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ, ২০০৩ সালে তাঁর ‘চোখের বালি’ সিনেমায়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে বাণিজ্যিক সিনেমা থেকে দূরে সরে যান অভিনেতা।

২০১০ সালে নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির হাত ধরে ‘অটোগ্রাফ’ সিনেমা এবং পরে একের পর এক গল্প ও চরিত্রনির্ভর সিনেমা করে নিজেকে ‘অন্য মাত্রায়’ তুলে ধরেন প্রসেনজিৎ। প্রশংসিত হয়েছে ‘কাকাবাবু’ সিরিজে অভিনয় করে।

তবে ওটিটিতে তাঁর হাতেখড়ি হয়েছে হিন্দি সিরিজ দিয়ে। ২০২২ সালে ওয়েব সিরিজ ‘স্কুপ’ ও ‘জুবলি’ দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: