![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার অভিযোগে যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞার পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে তেল আবিব। নিষেধাজ্ঞার খবর জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। বিবিসি ও আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জানান, ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করার পাশাপাশি গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা পর্যবেক্ষণকারী একটি কেন্দ্রে থাকা ব্রিটিশ কূটনীতিকদেরও বহিষ্কার করা হবে।
এ ছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্রিটিশ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ এবং ১২ জন ব্রিটিশ কর্মকর্তার ইসরায়েল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নিধন’ চালানোর অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য।
এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গিদিয়ন সার বলেন, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পার্লামেন্টে দেওয়া অভিযোগগুলো ‘আপত্তিকর মিথ্যা’।
তার দাবি, যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপের শামিল।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেটটি বন্ধ করা হবে।
১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। ইসরায়েল পুরো জেরুজালেমকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশ এই অবস্থান স্বীকৃতি দেয় না।
সার বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ জেরুজালেম ইসরায়েলের রাজধানী এবং এটি ইসরায়েলের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের অধীন।’
তার ভাষায়, জেরুজালেমে যে কোনো বিদেশি কার্যক্রম ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন না করে স্বীকৃত ও সম্মত চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে।