![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
ফিলিস্তিনি ছিটমহল গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে বলে ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও ইসলায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলায় তা অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানের কয়েক সপ্তাহ ধরে চালানো বিমান হামলা থামানোর পর থেকে ইসরায়েল গাজায় হামলা বৃদ্ধি করেছে। ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডের অর্ধেকের বেশি এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, বাকি অংশগুলোতে হামাস তাদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে তুলছে, লিখেছে রয়টার্স।
গাজার চিকিৎসা কর্মীরা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে ইসরায়েলি হামলায় এক পুলিশ পোস্টের কাছে এক ফিলিস্তিনি ও আরেকজন এক তাঁবুতে নিহত হয়।
তাদের জন্য ‘হুমকি হয়ে ওঠা এক জঙ্গিকে’ তারা খান ইউনিসে হত্যা করেছে বলে দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর।
পৃথকভাবে আরেক দল চিকিৎসা কর্মী জানিয়েছেন, মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিয়ের আল-বালাহে এক কমিউনিটি কিচেনের কাছে ইসরায়েলি আকাশ হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়।
ইসরায়েল বলছে, তারা হামাসের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালিয়েছে যিনি ‘ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছিলেন’।
গাজার চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও তিন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এদের মধ্যে একজনকে খান ইউনিসে গুলি করে আর অপর দুইজনকে দিয়ের আল-বালাহে একটি বেকারির কাছে আকাশ হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।
শনিবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, তারা শত্রুবার গাজা সিটিতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে আঘাত হেনে গাজায় হামাসের সশস্ত্র শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদকে হত্যা করেছে।
হামাস হাদ্দাদের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করলেও প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো হুমকি দেওয়া থেকে বিরত ছিল।
অক্টোবরে দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৮৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। একই সময় ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে।