![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
ঈদের জন্য নির্মিত হয়েছে নাটক “প্রবাসী বউ”। নাটকের কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন অনামিকা মন্ডল। চিত্রনাট্য ও নির্মাণ করেছেন কাজী সাইফ আহমেদ।
গল্পে দেখা যায়, আম্বিয়া তিন বছর পর বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসেছে। তার স্বামী রাকিব খুব খুশি বউ ফিরে আসায়। আম্বিয়া-রাকিবের সংসারে আছেন রাকিবের মা ও বোন।
বউ ফিরে আসায় খুশিতে রাকিব পুরো গ্রামে মিষ্টি বিলায়। ফুলের মালা দিয়ে বউকে বরণ করে নেয়। আম্বিয়াও খুশি স্বামীর এতো ভালোবাসা পেয়ে। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিলো কিন্তু গ্রামের মাতবর আম্বিয়ার কাছে সুযোগ নিতে আসে। আম্বিয়াকে প্রেম নিবেদন করে। আম্বিয়া মাতবরকে থাপ্পড় দিয়ে বিদায় করে দেয়। এরপর থেকে মাতবর গ্রামে ছড়ানো শুরু করে আম্বিয়া বিদেশে মালিকদের সেবা করে বেড়াতো। দাসী হিসেবে চাকরি করতো বিভিন্ন মালিকের অধীনে। আম্বিয়ার চরিত্র ঠিক নাই ইত্যাদি ইত্যাদি।
গ্রামের মানুষও ভেবে দেখলো কথায় যুক্তি আছে। আম্বিয়াতো অতো লেখাপড়াও জানে না যে বিদেশে গিয়ে বড় চাকরি করবে। মাতবরের কথাই ঠিক ভেবে নিয়ে পুরো গ্রামে কানাঘুষা শুরু হয়ে যায়। রাকিব থেকে শুরু করে রাকিবের মা, বোন সবাইকে কথা শুনতে হয়। রাকিবের মা ও বোন গ্রামবাসীর পক্ষে চলে যায়।
একটা সময় আম্বিয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। আম্বিয়াকে রাকিব হাসপাতালে ভর্তি করে। ডাক্তার বলে আম্বিয়ার ক্যান্সার হয়েছে। আম্বিয়া জানতো সেটা। এইজন্যই বিদেশ থেকে তাকে দেশে পাঠানো হয়েছে। ক্যান্সারের খরচ অনেক। এসব শুনে রাকিবের খুব অনুতাপ বোধ হয়। সে আম্বিয়াকে সরি বলে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। আম্বিয়া স্টেজ থ্রিতে আছে। রাকিব পাগল হয়ে যায় এই কথা শুনে। বউকে বাঁচানোর জন্য ছোটাছুটি করতে থাকে। এভাবেই “প্রবাসী বউ” নাটকের গল্প এগিয়ে যায়।
আম্বিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন অহনা রহমান এবং রাকিব চরিত্রে রাশেদ সীমান্ত। আরও অভিনয় করেছেন ইরা তালুকদার, এস এম কামরুল বাহার, সাহেলা আক্তার, ফারহানা এশা, জাহাঙ্গীর আলম, মিজানুর রহমান ও অয়ন খান।