সর্বশেষ আপডেট : ১৫ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ে ভূমিধস ও বন্যা, ৪১০ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩৩৬

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

শ্রীলঙ্কায় প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার বয়ে নিয়ে আসা ভারি বৃষ্টিতে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা, ভূমিধসে অন্তত ৪১০ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩৩৬ জন।

দেশটির মধ্যাঞ্চলের বাসিন্দা নওয়াজ নাশরা স্মরণ করেন কীভাবে তিনি নিজেকে ও তার তিন বছর বয়সী কন্যাকে দুর্যোগের মধ্যে তার বাড়িতে আঘাত হানা ভূমিধস থেকে রক্ষা করেছিলেন। কন্যাকে বিছানার একটি চাদর দিয়ে মুড়ে নিয়ে দৌঁড়ে ঘর ছেড়ে পালান তিনি।

শুক্রবার রাতে নাশরা ও তার সঙ্গে বসবাস করা তার গর্ভবতী বোন পরবর্তী ২০ মিনিট ধরে আলওয়াতুগোদা গ্রামের পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নামতে থাকেন, কখনো কখনো হাঁটু পর্যন্ত কাদায় দেবে যায় তাদের পা, পরে আরও নিচে একটি মসজিদে পৌঁছাতে সক্ষম হন তারা। সেখানেই রাতটি পার করেন।

ক্যান্ডিতে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির দিকে তাকিয়ে আছেন এক পুলিশ সদস্য। ছবি: রয়টার্স

রয়টার্সকে তিনি বলেন, “ঘুটঘুটে অন্ধকার, তার মধ্যে আমরা শুধু বজ্রপাতের মতো শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। পাশের বাড়িটা আমাদের চোখের সামনেই ভেঙে পড়ে। কাউকে সতর্ক করার মতো কোনো সময় ছিল না।”

মঙ্গলবার ওই এলাকার বাসিন্দারা জানান, ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার তাণ্ডবে এই এলাকার প্রায় ১০টি বাড়ি উড়ে যায় আর এতে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় প্রাণঘাতী কয়েকটি ঝড় বয়ে গেছে। এসব ঝড়ে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিশাল এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

আলওয়াতুগোদা গ্রাম যেখানে অবস্থিত শ্রীলঙ্কার সেই ক্যান্ডি অঞ্চলে ৮৮ জনের মৃত্যু নথিবদ্ধ করা হয়েছে। এটি দেশটির এক অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা। এখানে নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত দেড়শো মানুষ।

ক্যান্ডি অঞ্চলের ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে ১৭৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো দেশজুড়ে ৩৩৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ। যে সব এলাকায় ভূমিধস হয়েছে সেখানে মাটিতে চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধারে শত শত সেনা ও পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।

পাহাড় থেকে ধসে পড়া মাটি, পাথর ও গাছের ভেঙে পড়া ডালসহ রাস্তায় রাস্তায় জমে থাকা বিভিন্ন আবর্জনা সরাতে কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার বুলডোজার ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতেও কাজ শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে এসব সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন হয়ে গিয়েছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by:

fistinghd.netjosporn.netxfantazy.orgpornjoy.org