![]()

cialis fiyat cialis sipariş http://umraniyetip.org/
Fapperman.com DoEscortscialis viagra viagra cialis cialis viagra cialis20mgsite.com geciktirici sprey azdırıcı damla

বড়লেখা প্রতিনিধি ::
বড়লেখায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের বিচার চাইতে গিয়ে কুয়েতপ্রবাসী ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান এখন হুমকির মুখে রয়েছেন। একটি প্রতারক ও চাঁদাবাজ চক্র তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। বুধবার দুপুরে বড়লেখা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
মাহবুবুর রহমান পৌরসভার গাজিটেকা এলাকার মৃত মুহিবুর রহমানের ছেলে। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, একই এলাকার মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে-মেয়ে আব্দুল কাইয়ুম এবং দিলারা জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতারক চক্র তার কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগী মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রবাস জীবনের সঞ্চয় দিয়ে তিনি বড়লেখা বাজারে একটি তিনতলা মার্কেট ক্রয় করেন। কিন্তু পরে জানতে পারেন, না আছে মার্কেট, না আছে তার টাকা — তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
তিনি জানান, আব্দুল কাইয়ুম তাকে জানান যে তাদের দেড় শতক ভূমির ওপর তিনতলা মার্কেট রয়েছে এবং সেটি তিনি বিক্রি করতে পারবেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি দুবাইয়ে থাকা কাইয়ুমের ভাই শাকুর আহমদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনিও মার্কেট বিক্রির বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করেন।
এরপর নিরানব্বই লাখ টাকায় মার্কেট কেনার সিদ্ধান্ত হয়। চারটি চেকের মাধ্যমে তিনি মোট ৯৯ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে মার্কেট হস্তান্তর না করে কাইয়ুম বিভিন্ন অজুহাত দিতে থাকেন। এর মধ্যে তিনটি চেক থেকে ৭৪ লাখ টাকা উত্তোলনও করে নেন।
পরে মাহবুবুর রহমান জানতে পারেন, কাইয়ুম তার কাছে মার্কেট বিক্রির আগেই দ্বীপক বাবু নামের আরও একজনের কাছে একই মার্কেট বিক্রি করেছিলেন এবং প্রতারণার মামলায় কারাগারে ছিলেন। এ পরিস্থিতিতে কাইয়ুমের পরিবার তাকে ধৈর্য ধরতে বলেন। তিনি প্রায় দুই বছর অপেক্ষা করেন। জামিনে বের হওয়ার পরও কাইয়ুম মার্কেট হস্তান্তর না করে জানিয়ে দেন—তিনি কাউকেই মার্কেট দেবেন না।
পরিস্থিতি জটিল হলে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার পরামর্শে তার স্ত্রী দেশে এসে কাইয়ুম–দিলারা জামানের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত হয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চারটি চেকে ক্ষতিসহ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু কোনোটিই পরিশোধ হয়নি। পরবর্তীতে জমি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তাও বাস্তবায়ন হয়নি।
অবশেষে আলোচনার ভিত্তিতে ৮৪.০৫ শতাংশ জমি তার নামে দলিল করে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে জানা যায়, জমিটির দলিল ভূয়া এবং প্রকৃত মালিক তারা নন। জমির দখলও তিনি পাননি।
মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেন, প্রতারণার কথা প্রকাশ করায় বর্তমানে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করানোর হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে তাকে খোঁজ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।