![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে প্রথম চারদিনের ম্যাচ ড্র করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। ম্যাচের এক পর্যায়ে হারের মুখে পড়লেও মাইন খান ও প্রীতম কুমারের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে সক্ষম হয় শাহাদাৎ হোসেন দিপুর নেতৃত্বাধীন দল।
চতুর্থ দিনের শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। আগের দিন ৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরু হওয়া ধস থামেনি পরদিন সকালেও। দ্রুত ফিরেন অধিনায়ক দিপু (২), আইচ মোল্লা (১১) এবং আরিফুল ইসলাম (১৪)। দলের রান তখন মাত্র ৪১, উইকেট নেই ৫টি। আন্দিলে সিমলানে ও সেপো ইনোসেন্ট এনতুলির বোলিং তোপে বাংলাদেশী ব্যাটাররা যেন টিকতেই পারছিলেন না।
এমন বিপর্যয়ের সময় হাল ধরেন মাইন খান ও প্রীতম কুমার। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরান দলকে। পানিপানের বিরতির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৫/৫। এরপর শুরু হয় বৃষ্টি, আর ম্যাচ চালু না হওয়ায় আম্পায়াররা শেষ পর্যন্ত ড্র ঘোষণা করেন। প্রীতম ২১ ও মাইন ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল তোলে ৩০৮ রান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ইনিংস শেষ হয় ২৪৩ রানে, বিশেষ করে রাকিবুল হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি প্রটিয়ারা। বাঁহাতি এই স্পিনার একাই শিকার করেন ৭টি উইকেট। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচসেরা নির্বাচিত হোয়েছেন রাকিবুল।
চতুর্থ দিনের শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। আগের দিন ৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরু হওয়া ধস থামেনি পরদিন সকালেও। দ্রুত ফিরেন অধিনায়ক দিপু (২), আইচ মোল্লা (১১) এবং আরিফুল ইসলাম (১৪)। দলের রান তখন মাত্র ৪১, উইকেট নেই ৫টি। আন্দিলে সিমলানে ও সেপো ইনোসেন্ট এনতুলির বোলিং তোপে বাংলাদেশী ব্যাটাররা যেন টিকতেই পারছিলেন না।
এমন বিপর্যয়ের সময় হাল ধরেন মাইন খান ও প্রীতম কুমার। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরান দলকে। পানিপানের বিরতির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৫/৫। এরপর শুরু হয় বৃষ্টি, আর ম্যাচ চালু না হওয়ায় আম্পায়াররা শেষ পর্যন্ত ড্র ঘোষণা করেন। প্রীতম ২১ ও মাইন ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল তোলে ৩০৮ রান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ইনিংস শেষ হয় ২৪৩ রানে, বিশেষ করে রাকিবুল হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি প্রটিয়ারা। বাঁহাতি এই স্পিনার একাই শিকার করেন ৭টি উইকেট। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচসেরা নির্বাচিত হোয়েছেন রাকিবুল।