সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

অধিকার বাস্তবায়নে ভোটটা যেন দিতে পারে মানুষ

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের নির্বাচনের সমন্বয়ক ও সিটির সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, আমরা নির্বাচন কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সরকারে কাছে আকুল আবেদন করছি, নির্বাচনটা যদি মনে করেন সুষ্ঠু দিবেন বা সুষ্ঠু করাবেন তাহলে এখানে ভোটটা রাখেন। না হলে আপনাদের প্রার্থীকে আপনারা ডিক্লারেশনের মাধ্যমে নিয়ে যেতে পারেন। এতে আমাদের কোন ধরনের আপত্তি থাকবে না। কিন্তু ভোটের নামে যেন তামাশা না হয়, এটা আমরা সকলের কাছে আকুল আবেদন করছি।

শনিবার (২০ মে) রাত ১১টায় গাজীপুর মহানগরের ছয়দানায় নিজ বাড়িতে টঙ্গীতে হামলা পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি এখানে পাঁচ বছরের জন্য মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলাম। তিন বছর দায়িত্ব পালন করার পর ঢাকা থেকে চিঠি দিয়ে আমার মেয়রের পদটা বাতিল করে দেয়া হয়েছে। সেই হিসেবে বিনয়ের সাথে বলতে চাই যেহেতু নির্বাচন কমিশনার এখানে তফসিল দিয়েছেন, আমার মা জায়েদা খাতুন টেবিল ঘড়ি প্রতীকে নির্বাচন করছেন। একটা পরিকল্পিত শহর গড়ার জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য নির্বাচন করছেন। আমার মা বলেছেন আমি নির্বাচন কমিশনারকে সহযোগিতা করতে চাই, সরকারকেও সহযোগিতা করতে চাই। গাজীপুরে একটা ভোট হোক, ভোটে যেন হাজার হাজার মানুষ, লক্ষ লক্ষ মানুষ লাইন ধরে নিজের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য ভোটটা দিতে পারে। মা বলেছে তুমি সন্তান হিসেবে আমার পাশে থাকো আমিও মায়ের পাশে আছি। যারা আওয়ামী লীগ বা সরকারের সাপোর্টিংএ যারা নির্বাচন করছেন তাদেরকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। আমরা যে কোন প্রার্থীকে স্বাগত জানাই।

আমার মায়ের বয়স সত্তর, ওনি যখন নির্বাচনের প্রচারণায় নেমেছেন গাজীপুরে, বিশেষ করে টঙ্গীতে কয়েকটি এলাকায় যাওয়ার পর আমাকে এবং মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কিছু সন্ত্রাসী লোক।

নির্বাচনের বাধার বিষয়ে তিনি বলেন, একটা পোস্টার লিফলেট দিতে গেলে বাধা দেয়। এটা কোন ধরনের ভোট কোন ধরনের প্রচার। আমরা তো কোন প্রার্থীকে এখানে বাধা দেই নাই। এখানে সাড়ে ৩শ মতো কাউন্সিলর প্রার্থী আছেন, আরও সাত জন মেয়র প্রার্থী আছেন আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই। কোন রোড দিয়ে যেতে গেলে আমরা তাদেরকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করি।

জাহাঙ্গীর বলেন, আমাদের কাছে ১২লাখ ভোটারই সম্মানিত ব্যক্তি। কাউকে অসম্মান করে আমরা ভোটের রাজনীতিতে আসি নাই বা আসবো না। আজকে টঙ্গীর যে ৫৭নং ওয়ার্ডে যে ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটেছে, আমরা এ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

তিনি বলেন, এই ভোটকে বিতর্কিত করার জন্য যিনি আজমত উল্লা সাহেব আছেন, উনি অত্যন্ত বয়স্ক মানুষ শ্রদ্ধেয় মানুষ, উনি যে পাঁয়তারা শুরু করেছেন, এটা ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য এবং নির্বাচন কমিশনের জন্য কাল হয়ে যাবে। আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনের যারা দায়িত্বে আছেন এবং প্রশাসনের যারা দায়িত্বে আছেন তারা সবাই উচ্চ শিক্ষিত এবং ভাল পরিবারের সন্তান। তাদেরকে ব্যবহার করে যেন ভোটটা কলংকিত করা না হয়। আমি আবারও বলছি আপনাদের ডিক্লারেশন দরকার। তাহলে আপনারা বলেন আমরা সকল প্রার্থী প্রত্যাহার করবো।

প্রচারণায় হামলার বিষয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, আজকে আমার মায়ের ওপর, আমার ওপর এবং আমাদের নেতাকর্মী এবং সাপোর্টাররা যারা আছেন তাদের যে ক্ষতি করেছে সেটা বিচার বিভাগের মাধ্যমে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনতে হবে। পরশুদিন টঙ্গীতে হামলার ঘটনায় আমরা মামলা করেছি। এখনো কোন আসামি ধরে নাই। এগুলো বন্ধ করেন। মানুষ এগুলো পছন্দ করে না। এগুলো ভাল কাজ না। সেই জন্য অনুরোধ করবো, জনগণ ভোটটা যেন সুষ্ঠুভাবে, সুন্দরভাবে দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: